কক্সবাজার, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি চান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা

করোনাভাইরাসের কারণে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল হলেও অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা (ভিসি)। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সংগঠন ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ’ এক ভার্চুয়াল সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়। সংগঠনের সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা সভায় যুক্ত ছিলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমরা অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূরের উদ্ভাবিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। তিনি সেটি আজকের সভায় উপস্থাপন করেছেন। অনেকেই এর প্রশংসা করেছেন।’

কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়কে আলাদা গুচ্ছ করে এবং বহুনির্বাচনী প্রশ্নের (এমসিকিউ) ভিত্তিতে এই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন অধ্যাপক হারুন অর রশিদ। তিনি আরো বলেন, ভর্তির জন্য যে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হবে সেটি আগে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পরীক্ষা করা হবে। তারপরই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সভা শেষে গুচ্ছভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মীজানুর রহমান বলেন, বৈঠকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কবে নাগাদ অনলাইনে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ড. মীজানুর রহমান আরো বলেন, আগে এইচএসসি পরীক্ষার ফল বের হোক। তারপর ভিসিরা আরেকটি সভা করে সব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

গত ১ এপ্রিল থেকে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সারা দেশের প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ায় গত ২২ মার্চ এ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে গত ৭ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই বছর এইচএসসি পরীক্ষা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

পাঠকের মতামত: