কক্সবাজার, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

কক্সবাজারে স্বামীর সামনে হয়রানির শিকার স্ত্রী!

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে হয়রানির শিকার হয়েছেন এক নবদম্পতি। সম্প্রতি একটি ফেসবুক গ্রুপে এমন অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন স্বামী নিজেই।

ফেসবুকে জিহাদ (ছদ্মনাম) নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, স্ত্রীর সাথে গিয়েছি কক্সবাজার, যখনই বিচে নেমেছি এক দল লোক ডুব দিয়ে এসে আমার স্ত্রীর শরীর স্পর্শ করে। তাকে বললাম ভাই ডিস্টার্ব করতেছেন কেন? দেখলাম তারা ১০/১২ জন একসাথে দৌড়ে এসে আমাকে মারবে এই অবস্থা। তাই কি আর করার, ওইদিন হোটেলে এসে কাপড় চেঞ্জ করে সোজা ঢাকায় চলে এসেছি।

পোস্টে তিনি যুগল পর্যটকদের সতর্ক করে বলেন, আপনারা যারা কাপল যাবেন একটু সতর্ক থাকবেন। লাল গেঞ্জি অথবা সাদা গেঞ্জি পরা একদল লোক বিচে থাকবে, তাদের থেকে সাবধান।

স্ট্যাটাসে তিনি এও লেখেন, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আর লাভ নাই। পুরো আনন্দ ভ্রমণটাই নষ্ট করে দিয়েছে তারা।

এছাড়া আগেও এমন ঘটনা হয়েছে উল্লেখ করে জিসান নামে একজন ওই স্ট্যাটাসে কমেন্টস করেছেন। তিনি এও লিখেছেন, আপনার উচিত ছিল টুরিস্ট পুলিশকে ইনফর্ম করা, আর ওদেরকে দেখিয়ে দেয়া। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ওদের ধরে নিয়ে যেত।

জিসান লিখেন, এর আগেও এমন হয়েছে। আমার সামনেও এমন হয়েছে। সাথে সাথে অ্যাকশন নিছি। সেখানকার টুরিস্ট পুলিশ মূলত টুরিস্টদের জন্য অনেক হেল্পফুল।

তারেক নামে এক ব্যক্তি বলছেন, কয়েকদিন আগে আমিও গিয়েছিলাম, আমি নিজে দেখেছি এমন ঘটনা।

আয়শা নামের এক নারী বলছেন, অন্তত ৯৯৯ এ একটা কল দেয়া দরকার ছিল। হোটেলের রিসিপশনেও কমপ্লেইন দিলে ওরাও কিছুটা হেল্প করে। যাই‌ হোক, সেফলি ফিরে এসেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

এ বিষয়ে টুরিস্ট পুলিশের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে ঢাকা হেডকোয়ার্টারের একজন কর্মকর্তা বলেন, আসলে সেখানে পর্যাপ্ত টুরিস্ট পুলিশ রয়েছে। সৈকতে পুলিশ রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে বড় ইউনিট কক্সবাজারে। যে কোনো প্রয়োজনে পর্যটকেরা চাইলে তাদের সহায়তা নিতে পারে।

এর আগে, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে বেড়াতে এসে শুধু হয়রানিই নয় বরং স্বামীর সামনে গণধর্ষণের শিকার হন স্ত্রী। এই ঘটনায় এখন আদালতে বিচার চলছে।

পাঠকের মতামত: