কক্সবাজার, রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠছে কক্সবাজারের পর্যটন খাত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার মধ্যেও আর্থিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠছে কক্সবাজারের পর্যটন খাত। শীত আসতে না আসতেই লোকে লোকারণ্য কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল নামছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। নীল জলরাশি আর সবুজ পাহাড় ঘেরা এই পর্যটন কেন্দ্র তাই সবাইকে হাতছানি দিয়ে ডাকে সারাবছর।
করোনার কারণে দীর্ঘদিন সৈকতসহ পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকের আগমনে নিষেধাজ্ঞা ছিল। পরে পর্যটন ব্যবসা সচল রাখতে শর্তসহ নীতিমালা তৈরি করে খুলে দেয়া হয় সব কিছু। তারপর থেকেই বাড়তে শুরু করে পর্যটকের আগমন।

পর্যটক আগমনে সৈকতের হকার থেকে শুরু করে রেস্তোরা, বার্মিজ মার্কেট ও ট্যুর অপারেটরদের মধ্যেও ফিরেছে প্রাণের সঞ্চার। সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে পর্যটনখাতের অবস্থা রমরমা। করোনা বিপর্যয় কাটিয়ে ফের ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন বলে জানান পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
কক্সবাজার বিচ ক্ষুদ্র সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাফর মিয়া জানান, করোনা সংক্রমণের প্রথম দিকে যেমন বিপর্যয় ছিল তা কেটে গেছে।

আর এতে করে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা যে ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন তারা তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে মনে করেন কক্সবাজার ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক বেলাল ভূট্টো।
পর্যটন আগমনে ব্যস্ততা বেড়েছে সাড়ে চার শতাধিক হোটেল, হোটেল ও রিসোর্টে। চলছে অগ্রিম বুকিং। বলতে গেলে ফাঁকা নেই কোন হোটেলই। আর করোনাকালে যারা চাকরি হারিয়েছিলেন তারাও কাজে ফিরতে শুরু করেছেন বলেন জানান কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ ও কক্সবাজার হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র আবু তালেব শাহ।
কক্সবাজারে সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট, ৫ শতাধিক রেস্তোরা ও দেড় হাজারের বেশি বার্মিজ দোকানসহ পর্যটনশিল্পে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে।

পাঠকের মতামত: