কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

কাশ্মির সীমান্তে গোলাগুলিতে অন্তত ১৫ জন নিহত

কাশ্মির সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে গোলাগুলিতে অনন্ত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।এর মধ্যে ভারতের ছয় বেসামরিক নাগরিক, তিন সেনা সদস্য ও এক সীমান্তরক্ষী নিহত হয়েছেন। আর পাকিস্তানের চারজন বেসামরিক নাগরিক ও একজন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন।

ডেইলি সাবাহ বলছে, দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে কয়েক বছরের মধ্যে এটাই ভয়াবহতম লড়াইয়ের ঘটনা।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম ডন জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ভারতের হামলায় পাকিস্তানের অন্তত ১২ বেসামরিক নাগরিক ও পাচঁজন সেনাসদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, ভারতের পক্ষে নিহতদের মধ্যে ছয়জন বেসামরিক নাগরিক, তিনজন ভারতীয় সেনা ও একজন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, কাশ্মির সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় লড়াই এটি। এ ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করছে ভারতীয় সেনারা। ভারতের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, পাকিস্তান কোনো কারণ ছাড়াই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এ হামলায় পাকিস্তান মর্টার ও অন্যান্য অস্ত্র ব্যবহার করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতীয় সেনাদের পাল্টা আক্রমণে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবকাঠামোগত অনেক ক্ষতি ও হতাহত হয়েছে। দুই দেশের সেনাদের লড়াইয়ের কারণে স্থানীয় গ্রামবাসী তাদের ঘরবাড়ি ছাড়েন।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ভারত হামলা চালিয়েছে। পরে পাকিস্তান এর জবাব দিয়েছে। এতে ভারতীয় বাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের সময় কাশ্মির বিভক্ত হয়ে দুই দেশের অংশেই পড়ে। কিন্তু দুই দেশই পুরো কাশ্মিরকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। এটা নিয়ে দুই পক্ষ এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধে জড়িয়েছে।

পাঠকের মতামত: