কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

খাবার নিতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে ১২ ফিলিস্তিনির মৃত্যু

 

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান থেকে ফেলা ত্রাণের খাবার নিতে গিয়ে ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) গাজার গণমাধ্যম দপ্তরের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

এক বিবৃতিতে হামাস পরিচালিত গাজার গণমাধ্যম দপ্তর বলেছে, বিমান থেকে ফেলা খাবারের প্যাকেট সংগ্রহ করতে গিয়ে সমুদ্রে ডুবে ১২ জন এবং পদদলিত হয়ে ছয়জন মারা গেছেন।

এ সময় বিমান থেকে খাবার ফেলার কার্যক্রমে অবিলম্বে ইতি টানার আহ্বান জানিয়েছে হামাস। তারা বলছে, এই ধরনের কার্যক্রম আপত্তিকর, ভুল, অনুপযুক্ত ও অকেজো।

বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল গাজাবাসীর ত্রাণই একমাত্র ভরসা। কিন্তু গত অক্টোবরে যুদ্ধ শুরু হলে গাজায় পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে ইসরায়েল। তাদের অবরোধের কারণে সেখানে কোনো ত্রাণসহায়তা ঢুকতে পারছিল না। তাই গাজায় উপত্যকায় দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একপর্যায়ে ত্রাণসহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। তাই গাজায় ত্রাণের প্রবাহ বাড়াতে বিমান থেকে খাবার ফেলতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যরা।

রয়টার্সের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, সোমবার গাজার উত্তরের শহর বেইট লাহিয়ার সমুদ্র সৈকতে কাছে বিমান থেকে খাবার ফেলা হয়। এই খাবার সংগ্রহ করতে সেদিকে ছুটতে থাকেন ফিলিস্তিনিরা।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, দুটি সামরিক বিমান সি-১৭ থেকে সোমবার উত্তর গাজায় ৪৬ হাজার খাবারের প্যাকেট ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া এদিন ১০ টন পরিমাণ খাবার পানি, চাল, ভোজ্যতেল, ময়দা, টিনজাত পণ্য ও শিশু খাবার ফেলেছে যুক্তরাজ্য।

তবে মানবিক সহায়তাবিষয়ক সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, বিমান থেকে খাবার ফেলে ক্রমবর্ধমান খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব না। এ ছাড়া এই কৌশল বিশ্বজুড়ে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

পাঠকের মতামত: