কক্সবাজার, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০

খুলেছে কক্সবাজারের পর্যটনকেন্দ্র প্রথম দিন থেকেই ভিড়

জাহেদুল ইসলাম::

কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলল বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। সোমবার সকাল থেকে খুলেছে এ পর্যটন কেন্দ্র।
কোভিড সংক্রমণ রোধে গত পাঁচ মাস ধরে সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। একই সঙ্গে বন্ধ ছিল সব পর্যটনকেন্দ্র, হোটেল মোটেল, রেস্তোরাঁ, বার্মিজ দোকানসহ সব ধরনের পর্যটন ব্যবসা।
৫ আগস্ট কক্সবাজার জেলা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ কমিটির জুম কনফারেন্স সভায় নেয়া সিদ্ধান্তের আলোকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন পর্যটন শিল্প খুলে দেয়ার জন্য এ ব্যবস্থা নেয়। সরেজমিনে দেখা যায়, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় নজিরবিহীন নির্জনতা ভেঙে ঈদুল আজহার পর থেকে ফের পর্যটকদের আগমন যেমন ঘটছে, তেমনি স্থানীয়দেরও দেখা যাচ্ছে ওই এলাকায়। বলতে গেলে সৈকত এখন আর নির্জন নেই। কক্সবাজার কলাতলীর মেরিন ড্রাইভ হোটেল রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, করোনায় পর্যটন শহরের ব্যবসায়ীদের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা বলে বুঝানো যাবে না। এই ক্ষতি আগামী কয়েক বছরেও পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে দীর্ঘ সময়ের পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজসহ পর্যটন এলাকার সব প্রতিষ্ঠান প্রশাসন খুলে দিয়েছে, তাতে আমাদের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে। কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, কক্সবাজারে কিছু কিছু পর্যটক আসা শুরু করেছেন। তারা সৈকতেও নামছেন। তবে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে বারবার সচেতন করা হচ্ছে। সৈকতে মাইকিং করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের ডিসি মো. কামাল হোসেন বলেছেন, কক্সবাজার জেলার পর্যটন শিল্পের সঙ্গে বিভিন্নভাবে প্রায় দুই লাখ লোক জড়িত। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের আলোকে তাদের জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করে সীমিত আকারে পর্যটন শিল্প সোমবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

পাঠকের মতামত: