কক্সবাজার, শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

ঘুমধুমের করোনায় প্রথম মৃত্যু নারীর জানাযা সম্পন্ন :৫ পরিবারের ২৮ জনের কোয়ারান্টাইন

শ.ম.গফুর, উখিয়া::

উখিয়ার পাশে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের প্রথম করোনা রোগী রশিদা বেগমের মৃত্যু পরবর্তী স্বাস্থ্য বিধি মেনে, সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে জানাযার নামায শেষে দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়েছে।১০ জুন বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটের সময় উখিয়ার ঘাটের উত্তর জামে মসজিদের ঈদগাহ মাঠে জানাযার নামায অনুষ্ঠিত হয়।এসময় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি,ওসি মোঃআনোয়ার হোসেন,ঘুমধুম তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মোঃদেলোয়ার হোসেন,ঘুমধুম ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ,এসআই এনামুল হক,উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ শিকদার, শ.ম.গফুর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।জানাযার নামায পরবর্তী করোনায় মৃত্যু নারীর সংস্পর্শে থাকা স্বামীর পরিবার,আত্নীয়, প্রতিবেশীসহ ৫ পরিবারের ২৮ জনকে কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশনা দেন ইউএনও সাদিয়া আফরিন কচি।

প্রসঙ্গতঃ করোনা আক্রান্তে মৃত্যু বরণকারী মহিলা রশিদা বেগম ইয়াহিয়া গ্রুপের ঘুমধুমস্থ বনায়ন প্রকল্পের ম্যানেজার,কাস্টমসস্থ মৈত্রী চত্বরের ক্যাফে হাইওয়ে রেস্তোরাঁর পরিচালক এম.ছৈয়দ আলমের রত্নগর্ভা মাতা।তিনি প্রকৃত পক্ষে দীর্ঘ ৬/৭ মাস ধরে শ্বাসকষ্ট, হার্ট ও বার্ধক্যজনিত রোগে ভোগছিলেন।তিনি গত ৭ জুন চিকিৎসা নিতে গেলে করোনা আলামতে টেস্টে পজিটিভ আসে।শারিরীক সক্ষমতা দেখে তাকে ঘুমধুম ইউপির ৫ নং ওয়ার্ডের ঘোনার পাড়ায় নিজ বাড়িতে কোয়ারান্টাইনে রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল।বুধবার সকাল ৮টা ২৫ মিনিটের সময় করোনা পজিটিভ রশিদা বেগম (৬৫) মৃত্যু বরণ করেন।তিনি ওই এলাকার সাবেক সওজ কর্মচারী রহিম আলীর স্ত্রী।মৃত্যুকালে তাঁর স্বামী,৪ছেলে,৩ কন্যা সন্তান,জামাতা,নাতি-নাতনী,আত্নীয়স্বজন,প্রতিবেশী, এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পাঠকের মতামত: