কক্সবাজার, বৃহস্পতিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২০

অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ

চকরিয়ায় ২০ ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফুলছড়ি, মেধাকচ্ছপিয়া ও খুটাখালী মধুশিয়া খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণের অপরাধে ২০টি ড্রেজার মেশিন ও ১ হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উত্তর বনবিভাগের যৌথ অভিযানে জব্দের পর এসব ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করা হয়।

বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী মধুরশিয়া, ফুলছড়ি ও খুটাখালী মেধাকচ্ছপিয়া খাল থেকে দীর্ঘদিন ধরে বেশকয়েকটি চক্র ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বনের ক্ষতি করে আসছিল।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভুমি) চকরিয়া তানভীর হোসেন ও কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. সোহেল রানার নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ওইসব এলাকায় টানা অভিযান চালানো হয়।

এসময় ড্রেজার মেশিন মালিকরা পালিয়ে গেলেও জব্দ করা হয় বালু উত্তোলণের ২০ টি ড্রেজার মেশিন ও ১ হাজার মিটার প্লাস্টিকের পাইপ। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি তানভীর হোসেন ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে এসব ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করেছে।

অভিযানে সার্বিক সহযোগীতার ছিলেন, কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিশেষ টহল দলের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমদাদুল হক ও তার টীম। অভিযানে আরও অংশ নেন, রেঞ্জ কর্মকর্তা যথাক্রমে- মো.মাজহারুল ইসলাম, সৈয়দ আবু জাকারিয়া, সুলতান মাহমুদ টিটু ও বনকর্মীরা এবং পুলিশ।

চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তানভীর হোসেন বলেন, নদী থেকে অবৈধ বালু তোলায় অভিযান দেওয়া হয়। ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু তোলার অপরাধে ২০টি মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তহিদুল ইসলাম বলেন, বন ধ্বংস করে খাল থেকে বালু উত্তোলণে জড়িত এবং বনভুমি জবর দখলকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পাঠকের মতামত: