কক্সবাজার, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

চট্টগ্রামের সাতকানিয়াই ১৫ জন করোনায় আক্রান্ত

চট্টগ্রামে এক উপজেলা সাতকানিয়াই করোনাভাইরাসে ১৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১২ জন সংক্রমিত হয়েছেন সাতকানিয়ায় প্রথম শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির মাধ্যমে। তবে গত ১৫ এপ্রিল থেকে উপজেলাটি লকডাইনে আছে। তবুও সংক্রমিত হয়েছে বলে জানা যায়।

গত রবিবার পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত হন ৫৫ জন। ইতোমধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৫ জন এবং আইসোলেশনে মারা যান ৫ জন।

জানা যায়, গত রবিবার সাতকানিয়ার মাদার্শা ইউনিয়নের রূপনগরে একই পরিবারের ৬ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

এরা সবাই গত ১৯ এপ্রিল শনাক্ত হওয়া রোগীর পরিবারের সদস্য। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল সাতকানিয়ায় এক সঙ্গে ৫ জন করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তারা সবাই পশ্চিম ঢেমশার ইছামতি আলীনগরের বাসিন্দা।
তাছাড়া গত ১২ এপ্রিল পৌরসভা এলাকার ২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। সাতকানিয়ায় প্রথম শনাক্ত হওয়া ৬৯ বছর বয়সী ব্যক্তি গত ৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসার পথে মারা যান।

নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১১ এপ্রিল তার করোনাভাইরাস পজেটিভ আসে। কিন্তু এরই মধ্যে তাঁর জানাজায় অংশ নেয় স্বজন ও স্থানীয়রা।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর-এ-আলম বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়ে চট্টগ্রামে সাতকানিয়ায় বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী। এদের সবাই প্রায় একজনের মাধ্যমেই সংক্রমিত হয়েছেন। তবে ১৫ এপ্রিল থেকে পুরো উপজেলা লকডাউন। প্রথম দিকে মানুষ খুব একটা সচেতন না হলেও এখন পরিস্থিতি বিবেচনায় সবাই সতর্ক হয়েছেন। তাছাড়া কারো মধ্যে কোনো উপসর্গ দেখলেই টেস্ট করানোর ব্যবস্থা করছি।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট আক্রান্ত হন ৫৫ জন। সর্বশেষ গত রবিবার চট্টগ্রাম বিভাগে ১০১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০ জন করোনা পজেটিভ আসে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ৬ জন, নগরের দামপাড়ার ১ জন এবং লক্ষীপুর জেলায় ৩ জন।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রামে মোট ৫৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগী আছে। সর্বশেষ গত রবিবার একদিনেই সাতজন শনাক্ত হয়। তারা সবাই জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আছেন।

পাঠকের মতামত: