কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১

চমেকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা শুরু

চট্টগ্রামে ভেটেরিনারি ও এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) পক্ষ থেকে একটি আরটি-পিসিআর মেশিন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে গত ৫ মে হস্তান্তর করেন সিভাসু উপাচার্য ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। এই পিসিআরটি দিয়ে শনিবার চমেক করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ল্যাব চালু হলে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ল্যাবটি চালু হয়েছে।

শনিবার প্রথম দিনে এই ল্যাবে ছয়টি নমুনা পরীক্ষা করা হয় ব জানিয়েছেন চমেকের অধ্যক্ষ ডা. শামীম হাসান।

এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাস শনাক্ত করতে তৃতীয় ল্যাব চালু হল। বিআইটিআইডি এবং সিভাসুতে আগে থেকে পরীক্ষা চলছে।

গত ২০ এপ্রিল চমেকের ল্যাবের জন্য ঢাকা থেকে পিসিআর মেশিনসহ আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম এসে পৌঁছালেও ৩ এপ্রিল ক্যালিব্রেশনের সময় মেশিনটিতে ত্রুটি ধরা পড়ে।

এরপর সেটি মেরামতের জন্য ঢাকায় নিয়ে যায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওভারসিস ম্যানেজমেন্ট করপোরেশনের (ওএমসি) প্রতিনিধিরা।

চট্টগ্রাম মেডিকেলে পৌঁছেছে করোনাভাইরাস শনাক্তের সরঞ্জাম

সবশেষ ৫ মে চট্টগ্রামে ভেটেরিনারি ও এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) পক্ষ থেকে একটি রিয়েল টাইমার পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর) মেশিন চমেক কর্তৃপক্ষকে ধার দেওয়া হয়। এই মেশিনটিই শনিবার চালু হল।

অধ্যক্ষ ডা. শামীম হাসান বলেন, “চমেক হাসপাতালে যারা চিকিৎসা নিতে আসবেন, তাদের দেখে চিকিৎসরা যাদের নমুনা পরীক্ষা প্রয়োজনীয় মনে করবেন, তাদের নমুনা সংগ্রহ করে আমাদের ল্যাবে পাঠাবেন। আমরা সেসব নমুনাই শুধু পরীক্ষা করব।”

চমেক হাসপাতালে পৃথক ফ্লু কর্ণার চালু করা হয়েছে গত এপ্রিল মাসে।

আগে বরাদ্দ পিসিআর মেশিনটির বিষয়ে অধ্যক্ষ শামীম হাসান বলেন, “সেটিও মেরামত হয়ে দ্রুত চলে আসবে আশা করি।

চমেকর পুরনো একাডেমি ভবনের নিচতলার পূর্ব পাশে মাইক্রোবায়লজি বিভাগের তিনটি কক্ষে স্থাপন করা হয়েছে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণের এই ল্যাব।

চট্টগ্রামে গত ২৬ মার্চ ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) প্রথম এবং ২৫ এপ্রিল সিভাসুতে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ ল্যাব চালু হয়।

পাঠকের মতামত: