কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

কক্সকাজারের টেকনাফের হ্নীলা আনোয়ার প্রজেক্ট এলাকা থেকে ৮০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।  টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার ভোরে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর এর সার্ভার রুমের সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম দ্বারা ওই ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হ্নীলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ আনোয়ার প্রজেক্ট এলাকা হতে  ৩শ গজ দক্ষিণে বিআরএম-১২ হতে ১ কি. মি. দক্ষিণ দিক দিয়ে চৌধুরী পাড়া দ্বীপ (খরেরদ্বীপ) কতিপয় ব্যক্তি হস্তচালিত নৌকাযোগে মিয়ানমার হতে আসতে দেখে।

তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হতে বর্ণিত এলাকার বিশেষ টহল কমান্ডারকে অবগত করা হয়। অনতিবিলম্বে বিজিবি টহলদল উল্লেখিত স্থানে গমণ করে।
বিজিবির টহলদল বর্ণিত স্থানে পৌঁছার পূর্বেই ২ জন ব্যক্তি ১টি প্লাস্টিকের বস্তা মাথায় করে বেড়ীবাঁধের নিকটস্থ আনোয়ার প্রজেক্টের কাটাতারের বেড়া অতিক্রমরত অবস্থায় দেখে। তাৎক্ষণিকভাবে টহলদল তাদের ধরার জন্য অগ্রসর হয় এবং চ্যালেঞ্জ করে।

টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই চোরাকারবারীরা বহনকৃত বস্তাটি ফেলে দিয়ে অন্ধাকারের সুযোগ নিয়ে আনোয়ার প্রজেক্টের ভিতরের এলাকা ব্যবহার করে খুব দ্রুত পাশ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়।
পরে টহলদল উল্লেখিত স্থানে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে ১টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বস্তার ভিতর থেকে টহলদল ২ কোটি ৪০ লাখ মূল্যের ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ইয়াবা কারবারীকে আটকের নিমিত্তে বর্ণিত এলাকা ও পাশ্ববর্তী স্থানে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন পাচারকারী বা তাদের সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উক্ত স্থানে আনোয়ার প্রজেক্টের কর্মচারী ব্যাতিত অন্য কোন অসামরিক ব্যক্তি পাওয়া যায়নি বিধায় ইয়াবা পাচারকারীকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে জানান বিজিবির ওই কর্মকর্তা।

পাঠকের মতামত: