কক্সবাজার, শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

‘দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না’

জনস্বার্থে ও বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে শর্ত সাপেক্ষে  আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে গণপরিবহনে আগের নির্ধারিত ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সরকারী বাসভবন থেকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের ঢাকা জোনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, জনস্বার্থে ও বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে শর্ত সাপেক্ষে ১ সেপ্টেম্বর থেকে গণপরিবহনে আগের নির্ধারিত ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শর্তগুলোর মধ্যে পরিবহনে মাস্ক পরিধান শতভাগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দাঁড়িয়ে কোনোভাবেই যাত্রী নেয়া যাবে না। যাত্রীদের সিটে বসে ভ্রমণ করতে হবে।

কাদের বলেন, গণপরিবহনের যাত্রী, চালক, সুপারভাইজার, চালকের সহকারী, টিকিট বিক্রয়কারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করতে হবে। হাত ধোঁয়ার জন্য পর্যাপ্ত সাবান পানি অথবা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

আসন সংখ্যার অতিরিক্ত কোনো যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। অর্থাৎ যত সিট তত যাত্রী পরিবহন নীতি কার্যকর হবে। দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গাড়ি চালাতে হবে। ট্রিপের শুরু এবং শেষে যানবাহন জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমি নিয়ম এবং শর্ত মেনে পরিবহন চালানোর জন্য পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি যাত্রী সাধারণকেও মাস্ক পরিধানসহ নিজের সুরক্ষায় সচেতন থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

মন্ত্রী আরও বলেন, এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশনা সবাইকে বিজ্ঞপ্তি আকারে জানানোর পাশাপাশি আইন অমান্যকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত কার্যক্রম জোরদারে বিআরটিএকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছি। পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে প্রতিপালনের অনুরোধ জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারির মধ্যে গত ১ জুন থেকে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন সেবা চালু হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে দূরপাল্লার বাস, মিনিবাসসহ অন্যান্য পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কম যাত্রী নিয়ে চলাচলের নির্দেশ দেয় সরকার। তখন মালিকদের ক্ষতি পোষাতে বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়া হয়।

পাঠকের মতামত: