কক্সবাজার, বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১

দুই সপ্তাহ বন্ধ রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রাঙামাটির সব পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে আগামী দুই সপ্তাহের জন্য জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো বন্ধের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। এ ছাড়া গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ রাখা হয়েছে।

সকালে জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, রাঙামাটি পার্ক, পলওয়ে পার্ক বন্ধ রয়েছে। তবে ঝুলন্ত সেতুর টিকেট কাউন্টার বন্ধ থাকলেও সেতুর গেট তালাবদ্ধ না থাকায় সেতুতে কিছু পর্যটককে ঘুরতে দেখা গেছে। হ্রদে ঘুরে বেড়ানো বোটগুলো ঘাটে বাঁধা ছিল। টেক্সটাইলের দোকানগুলোতে বিক্রয় কর্মীরা অলস বসে রয়েছে। আবাসিক হোটেলগুলো আস্তে আস্তে খালি করা হচ্ছে। বুকিং বাতিল করা হয়েছে। রেস্টুরেন্টগুলোতে এক সিট তুলে রাখার নির্দেশনা দেয়া হলেও সেটা এখনো বাস্তবায়ন করতে দেখা যায়নি। রাস্তায় চলাচলকারী মানুষের মুখে মাস্ক দেখা গেলেও দোকানিদের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি।
যশোর থেকে ঝুলন্ত সেতুতে ঘুরতে আসা এক পর্যটক বলেছেন, রাঙামাটিতে গত ৩১ মার্চ ঘুরতে এসে নিষেধাজ্ঞার কথা জানতে পেরেছি। তারপরও এতো কাছে এসে ঝুলন্ত সেতু দেখার লোভ সামলাতে না পেরে চলে যাওয়ার আগে একবার ঘুরতে এসেছি। সব বন্ধ; তারপরও একবার দেখে গেলাম।

হানিমুনে আসা এক দম্পতি বলেছেন, হানিমুনে রাঙামাটিতে এসেছি। আসার পর পর্যটন কেন্দ্র বন্ধের কথা জানতে পেরেছি, আজকে চলে যাব।
পর্যটন বোট ঘাটের ইজারাদার রমজান আলী বলেছেন, সরকারি নির্দেশনার পর আমরা বোট ভাড়া দেয়া বন্ধ রেখেছি। সরকারি নির্দেশনা পেলেই আবারো চালু করা হবে।
আবাসিক হোটেল মতি মহলের ব্যবস্থাপক চন্দনদাশ বর্মণ বলেছেন, অগ্রিম যা বুকিং ছিল, সব বাতিল করা হয়েছে।
রাঙামাটি পর্যটক করপোরেশনের ব্যাবস্থাপক সৃজন বিকাশ বড়ুয়া বলেছেন, হোটেল ও বিনোদন কেন্দ্র দুটির মধ্যে বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। ৫০ ভাগ পর্যটক হোটেলে রাখার সুযোগ থাকলেও পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের ঘোষণায় সব বুকিং বাতিল হয়ে গেছে।

পাঠকের মতামত: