কক্সবাজার, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪

দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে জাগরণ ঘটেছে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি প্রান্তে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দিতে আওয়ামী লীগ সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রায়োগিক উৎকর্ষ সাধন, প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ এ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে শুরু হতে যাওয়া ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩’ উপলক্ষ্যে বুধবার (২৫ জানুয়ারি) দেয়া এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।

আগামী ২৬-২৮ জানুয়ারি ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা ২০২৩’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বর্তমান সরকারের গৃহীত নানাবিধ পদক্ষেপের ফলে দেশব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির জাগরণ তৈরি হয়েছে। এর সুফল হিসেবে রূপকল্প-২০২১ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধি, সাবমেরিন ক্যাবলের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি, নতুন সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সকল সেবা আধুনিক ও যুগোপযোগী করা হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশে পরীক্ষামূলকভাবে ৫জি প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক চালু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট’এর সেবা পেতে শুরু করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প ২০২১-এর আলোকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পর আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা। স্মার্ট বাংলাদেশে হবে স্মার্ট সরকার, স্মার্ট জনগোষ্ঠী এবং স্মার্ট শিল্প কলকারখানা।’

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ, সব উপজেলায় অপটিক্যাল ফাইবার কানেকটিভিটি, সব জেলায় জেলা তথ্য বাতায়ন এবং সারাদেশে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

৮ হাজার ৫০০টি ডাকঘরকে পোস্ট ই-সেন্টারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগকে দ্রুত ও সহজতর করা হয়েছে। করোনাকালে ভিডিও কনফারেন্সিং দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেও বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার মাধ্যমে দেশের জনগণ টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আরও অবহিত হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মেলা উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

পাঠকের মতামত: