কক্সবাজার, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪

নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রুতে গড়ে উঠছে নতুন ‘রোহিঙ্গা পল্লি’

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালি জায়গায় নতুন করে রোহিঙ্গা পল্লি তৈরি করা হচ্ছে। পলিথিন ও বাঁশ দিয়ে ঝুপড়ি ঘর করে তৈরি করে এ পল্লি গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সীমান্তের নিকটবর্তী স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে তমব্রুর শূন্যরেখা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমারের সশস্ত্র দুটি গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত ও শিশুসহ দুজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর শূন্যরেখার সব ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এর জেরে শূন্যরেখায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের একটি অংশ মিয়ানমারে চলে গেলেও অপর একটি অংশ তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর মিয়ানমারে চলে যাওয়া রোহিঙ্গারা আবারও বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ শুরু করে। যারা বর্তমানে তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালি জায়গায় পলিথিন ও বাঁশ দিয়ে ঝুঁপড়ি ঘর করে অবস্থান নিতে শুরু করেছে। এতে গড়ে উঠছে নতুন রোহিঙ্গা পল্লি।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত সীমান্তের শূন্যরেখার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং আশপাশের এলাকায় মিয়ানমারের সশস্ত্র দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি বন্ধ ছিল। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে আবারও গোলাগুলি শুরু হয়। ঘটনার পর থেকে কোনারপাড়া শূন্যরেখা রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং আশপাশের এলাকা মিয়ানমারের সশস্ত্র গ্রুপের সদস্যদের প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোমেন শর্মা বলেন, ‘তমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশে কিছু রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে বলে শুনেছি। তবে তাদের সংখ্যা কত তা জানি না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’

পাঠকের মতামত: