কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪

পানের বরজ লন্ডভন্ড: দিশেহারা মহেশখালীর পান চাষীরা

 

ঘূর্ণিঝড় হামুনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড মহেশখালী উপকূলের মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই পাহাড়ি দ্বীপের পান চাষীরা। গেলো মৌসুমে পানের বাজার মূল্য থাকায় এইবছর দ্বিগুণ পান চাষ হয়েছে মহেশখালীতে। অনেকে নিজের সর্বশেষ পূঁজি, স্ত্রীর গয়না বিক্রি, অনেকে আবার ধারদেনা কিংবা ব্যাংক ও এনজিও থেকে লোন নিয়ে পানের বরজ লাগিয়েছেন। মহেশখালীর মানুষে প্রায় ৫৬% কৃষকের আয়ের প্রধানতম উৎস এই পানের বরজ। গেলো সপ্তাহ দুয়েক আগে পানের বরজ লাগানো সম্পন্ন করেছিলো চাষিরা। এরই মধ্যে হানা দেয় হামুনের তাণ্ডব। যা দুমড়েমুচড়ে দেয় উপকূলের সব পানের বরজ, ঘরবাড়ি, কৃষি জমি।

এখন সর্বশান্ত হয়ে দিশেহারা পানচাষিরা।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে মহেশখালীতে অসংখ্য পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানালেন মহেশখালী কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

মহেশখালী কৃষি অফিস জানায় মহেশখালীর প্রায় পানের বরজ ও চাষীরা ঘূর্ণিঝড় হামুনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। তবে এখনো কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না।

পাঠকের মতামত: