কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

বন্ধ হচ্ছে ‘করোনা বুলেটিন’!

বন্ধ হতে যাচ্ছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিন। আগামীকাল মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) শেষবারের মতো এই বুলেটিনে ২৪ ঘণ্টার করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরবে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে দুপুর আড়াইটায় নিয়মিত এই বুলেটিন আর হবে না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় শেষ স্বাস্থ্য বুলেটিন পরিবেশন করা হবে অনলাইনে। বুধবার থেকে গণমাধ্যমের কাছে প্রেস রিলিজ আকারে করোনা বিষয়ক আপডেট পাঠানো হবে। হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত আসলো সেই বিষয়ে সূত্রটি কোনও তথ্য দেয়নি।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে করোনাভাইরাস ইস্যুতে প্রথম ব্রিফিং আয়োজন করে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা নিজেই ব্রিফিং করতেন। দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আইইডিসিআরের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরও সরাসরি ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়।

মার্চের শেষের দিকে ডা. ফ্লোরার পরিবর্তে নিয়মিত ব্রিফিং পরিচালনা করতে থাকেন অধিদফতরের এমআইএস বিভাগের পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান। বিকেল ৩টায় এই ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হলেও পরে দুপুর আড়াইটায় ব্রিফিংয়ের সময় চূড়ান্ত করে দেয় অধিদফতর।

এরপর স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে অনলাইনে ব্রিফিং পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। ওই সময় সাংবাদিকরা জুম প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্রিফিংয়ে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতেন। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে সাংবাদিকদের যুক্ত হওয়ার পর্বটি বাদ দিয়ে ‘ব্রিফিং’কে ‘বুলেটিন’ আকারে উপস্থাপন করতে শুরু করে অধিদফতর। স্বাস্থ্য বুলেটিনে নিয়মিতভাবে তথ্য উপস্থাপন করতেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা নাসিমা সুলতানা।

প্রশ্নোত্তর পর্ব বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও প্রতিদিন দুপুর আড়াইটার এই সময়টিতে দেশের সব গণমাধ্যমের চোখ থাকত স্বাস্থ্য অধিদফতরের অনলাইন বুলেটিনে। দেশের মানুষেরও অন্যতম আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই সময়টি। প্রতিদিন কী পরিমাণ মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন কিংবা করোনায় মারা যাচ্ছেন কিংবা সুস্থ হয়ে উঠছেন— হালনাগাদ সেই তথ্যটি জানার আগ্রহ ছিল সবারই। এবার সেটাও বন্ধ হতে যাচ্ছে।

পাঠকের মতামত: