কক্সবাজার, শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১

ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের কর্মক্ষম করে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

ভাসানচরে স্থানান্তর করা রোহিঙ্গাদের অলস বসিয়ে না রেখে কর্মক্ষম করে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গার্মেন্টসসহ নানা খাতে ব্যবহার করে আয়ের উপযোগী করে তুলতে চায় তাদের। তাই ভাসানচরে শুরু হয়েছে রোহিঙ্গা নারীদের সেলাই এবং পুরুষদের কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

রোহিঙ্গা নারীদের সেলাই মেশিনে কাপড় সেলাইয়ের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বাঙালি প্রশিক্ষকরা। রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরগুলোর জন্য একেবারে অপরিচিত দৃশ্য।
প্রতিদিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সেলাই প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন অন্তত ২৫০ রোহিঙ্গা নারী।

তিন দফায় কক্সবাজার থেকে যাওয়া সাড়ে ছয় হাজারের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থান এখন ভাসানচরে। এর মধ্যে তরুণ-যুবকের সংখ্যাই বেশি। অনেকটা অলস সময় কাটছে তাদের। আর তারাও চায় কর্মক্ষম হয়ে উঠতে।
শুধুই যে সেলাই প্রশিক্ষণ হচ্ছে তা কিন্তু নয়। রোহিঙ্গাদের আবাসন হিসেবে চিহ্নিত ক্লাস্টারের বিভিন্ন অংশে শেড তৈরি করে দেয়া হচ্ছে কৃষিভিত্তিক নানা প্রশিক্ষণও। হাঁস-মুরগি ও মৎস্য পালনও বাদ যাচ্ছে না।
ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক কমডোর আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এখান থেকে বাচাই করে একেক জনকে একেক সেক্টরে দেওয়া হবে। কেউ কৃষি সেক্টরে, কেউ মৎস্য সেক্টরে, কেউ সেলাই কাজে যাবে। আমরা গত এক সপ্তাহ ধরে এই কাজটা শুরু করেছি।’
সাড়ে ১৩ হাজার ভূমির ওপর গড়ে ওঠা এই ভাসানচরে এক লাখের বেশি রোহিঙ্গার জন্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি রাখা হয়েছে কৃষিভিত্তিক আয়ের নানা পথ। ইতোমধ্যে চালু হয়েছে রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষার জন্য স্কুল।

পাঠকের মতামত: