কক্সবাজার, রোববার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

রোহিঙ্গাদের কলেরা টিকাদান শুরু

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার তত্ত্বাবধানে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় নেয়াখালীর ভাসানচরে পুনর্বাসিত ৩০ হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মাঝে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন অফিস ও আইসিডিডিআর,বির মাধ্যে বাস্তবায়নাধীন এ টিকাদান অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম এবং আইসিডিডিআর,বির ইনফেকশাস ডিজিজেস ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র ডিরেক্টর ড. ফিরদৌসী কাদরী।

ভাসানচরে ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ৩২ হাজার রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসন করা হয়েছে সেখানে। তুলনামূলক উন্নততর পানি, পয়ঃনিষ্কাশন ও আবাসন ব্যবস্থা থাকার পরও ২০২১ সালের জুনে ভাসানচরে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব ঘটে। প্রায় ১৫০০ রোহিঙ্গা আক্রান্ত হন এবং মারা যান ৪ জন। এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কলেরা টিকাদান শুরু হলো।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সম্ভাব্য সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তাদের জন্য আমরা কলেরা টিকার সংস্থান করেছি। আমাদের লক্ষ্য প্রতিরোধক্ষম রোগ থেকে তাদের নিরাপদ রাখা।

ভাসানচরের ২৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রথম ডোজ কলেরা টিকাদান কার্যক্রম সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। ১৯ মার্চ দেওয়া হবে দ্বিতীয় ডোজ টিকা। একবছরের বেশি বয়সীদের দেওয়া হচ্ছে এ টিকা। গর্ভবতী নারী ছাড়া সবাই এই টিকা নিতে পারবেন। টিকা নেওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নেওয়া যাবে না।

পাঠকের মতামত: