কক্সবাজার, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০

মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে দেশে ঢুকলো পেঁয়াজ

ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণার পরে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজের চালান চট্টগ্রাম বন্দরে আসা শুরু করেছে।

সোমবার থেকে মঙ্গলবার দুইদিনে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মিয়ানমারের ৫৮ ও পাকিস্তানের ১১২ মেট্রিকটন পেঁয়াজ খালাস করা হয়েছে। পেঁয়াজের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের কায়েল স্টোর। বিষয়টি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল।

তিনি বলেন, মিয়ানমার থেকে এসেছে দুই কনটেইনার পেঁয়াজ। এই চালান চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে এলসি হওয়া পেঁয়াজের প্রথম চালান এটি। বাকি ১১২ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আজ এসেছে পাকিস্তান থেকে।গত দুই দিনে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে মোট ১৭০ মেট্রিক টন পেঁয়াজের ছাড়পত্র দিয়েছি। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে চালান দুটি খালাস করে নিয়ে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে ৫৮ মেট্রিক টন পেঁয়াজের চালানটি আমদানি করে চট্টগ্রামের কায়েল স্টোর। অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে আনা ১১২ মেট্রিক টন পেঁয়াজের চালানটি নিয়ে আসে মেসার্স গ্রিন ট্রেড চট্টগ্রাম।

খাতুনগঞ্জের পাইকারি পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সোলাইমান বাদশা বলেন, দেশে পেঁয়াজের সংকট আর থাকবে না। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। সুতরাং ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে যে হা-হুতাশ সৃষ্টি হয়েছিল সেটা কেটে যাবে। মঙ্গলবার মায়ানমারের পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে। যা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ ঘোষণা করার পর আমদানিকারকরা বিকল্প দেশগুলো থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নেওয়া শুরু করে। গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই পর্যন্ত আমদানিকারকরা ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৫৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বুলবুল।

তিনি বলেন, গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নেওয়া শুরু করেন। এই পর্যন্ত ৩২৯টি অনুমতিপত্রের বিপরীতে মোট এক লাখ ৫০ হাজার ৯৫৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিয়েছেন তারা।

পাঠকের মতামত: