কক্সবাজার, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

মিয়ানমার থেকে দুই দিনে এলো ৫২ টন পিয়াজ

মিয়ানমার থেকে দুই দিনে ৫২ দশমিক ৪৮৫ টন পিয়াজ এসেছে। চারটি ট্রলারে করে এই পিয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দর ঘাটে এসে পৌঁছায়। এর আগে সর্বশেষ ১১ নভেম্বর ২৯ দশমিক ৮৩৫ টন পিয়াজ এসেছিল। এতে করে গত সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও চলতি মাসে মিয়ানমার থেকে নৌপথে ১৪ দফায় মোট ৬৩৮ দশমিক ২৩৫ টন পিয়াজ আমদানি করা হলো।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ নাথ।
তিনি বলেন, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুইদিনে চার ব্যবসায়ী মিয়ানমার থেকে আমদানি করেছেন ৫২ দশমিক ৪৮৫ টন পিয়াজ। তাদের মধ্যে  মোহাম্মদ সেলিম ২৩ দশমিক ০৮৫ টন, মো. ফারুক ৬ দশমিক ৭৫০ টন, আব্দুস শুক্কুর ৯ টনন, মো. আরফাত ১৩ দশমিক ৬৫০ টন পিয়াজ আমদানি করেন। চাহিদা অনুযায়ী আমদানি বাড়াতে পিয়াজ ব্যবসায়ীদের আরও উৎসাহিত করা হচ্ছে।

টেকনাফ শুল্ক বিভাগ জানায়, টেকনাফ শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে গত বছরের আগস্টে ৮৪ টন, সেপ্টেম্বরে তিন হাজার ৫৭৩ টন, অক্টোবরে ২০ হাজার ৮৪৩ টন, নভেম্বরে ২১ হাজার ৫৬০ টন পিয়াজ আমদানি করা হয়। এ ছাড়া চলতি বছরের জুলাই মাসে এসেছিল ৮৩ টন পিয়াজ। সেপ্টেম্বরে ৫৭ দশমিক ২০০ টন, অক্টোবরে ৫৮৫ দশমিক ৭৫ টন পিয়াজ এসেছিল। ১১ নভেম্বর বুধবার ২৯ দশমিক ৮৩৫ টন পিয়াজ আসে।

টেকনাফ স্থলবন্দরের আমদানিকারক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, আরও পিয়াজ ভর্তি ট্রলার আসার পথে রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোহর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন বলেন, মিয়ানমার থেকে গত দুইদিনে চারটি ট্রলারে ৫২ দশমিক ৪৮৫ টন পিয়াজ এসেছে। আমদানি করা এই পিয়াজ দ্রুত সময়ে খালাস করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পিয়াজ ভর্তি ট্রাকগুলো দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের উদ্দেশ্যে স্থলবন্দর ছেড়ে যায়।

পাঠকের মতামত: