কক্সবাজার, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

মুক্তিপণের ৪ লাখ টাকা সহ শিশু ছোয়াদ উদ্ধার, ১৭ আসামি গ্রেপ্তার

২১ দিন পর মুক্তিপণের ৪ লাখ টাকা সহ টেকনাফে

অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্র ছোয়াদ বিন আব্দুল্লাহকে উদ্ধার কররেছে পুলিশ। এসময় অপহরণচক্রের ১৭জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ছোয়াদ বিন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র ছেলে। সে টেকনাফের পূর্ব পানখালী এলাকার আবু হুরাইরা (রাঃ) মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণীর ছাত্র।

পুলিশ জানায়, গত ৯ মার্চ দুপুর ১২ টার সময় হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের পূর্ব পানখালী এলাকা হতে ছোয়াদ বিন আব্দুল্লাহকে অপহরণ করা হয়। এ খবরে অভিযান চালিয়ে শিশু অপহরণের মাস্টারমাইন্ডসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় অপহরণে ব্যবহৃত সিএনজি ও ৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, টেকনাফ জাদিমুড়া এলাকার আব্দুর শুক্কুরের ছেলে নাগু ডাকাত (৫৫) ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম এবং তাদের দুই ছেলে সাদেক (২১) ও রনি (১২), মোহম্মদ আলীর স্ত্রী লায়লা বেগম, মোহাম্মদ খানের স্ত্রী উম্মে সালমা, আব্দুর শুক্কুরের ছেলে মোহাম্মদ হাশেম (২৭), সৈয়দুল হকের স্ত্রী খাতিজাতুল খোবরা (৩৫)।
এছাড়াও ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজী পাড়া এলাকার জাফর আলমের ছেলে মোঃ নাসির আলম (২৮), মহেশখালী কালারমারছড়া ইউনিয়নের মনছুর আলমের ছেলে সালামত উল্লাহ প্রকাশ সোনাইয়া (৪৫),কালারমারছড়া নয়া পাড়া এলাকার কালা মিয়ার ছেলে জহির আহমেদ (৬৫), শামসুল আলমের ছেলে হাসমুল করিম তোহা (২০), কালারমারছড়া সামিরাঘোনা এলাকার ফরিদুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ্ (১৯), একই এলাকার রহমত উল্লাহর ছেলে ফরিদুল আলম খান (৫২), সালামত উল্লাহর ছেলে আমির হোসেন। মহেশখালী কালারমারছড়া ৬নম্বর ওয়ার্ডের শামসুল আলমের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামিরা জানায় ,আনোয়ার সাদেক এর পরিকল্পনায় ছোয়াদের বাড়ির ভাড়াটিয়া পুরাতন রোহিঙ্গা নাছের এবং মাজুমার নেতৃত্বে উম্মে সালমা, শাহীন এবং সিএনজি ড্রাইভার নাসির আলম মাদ্রাসা হতে বাসায় যাওয়ার পথে শিশুটিকে অপহরণ করে মহেশখালী কালারমারছড়া পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে ভিকটিমের মাকে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এমনকি মুক্তিপণ না দিলে শিশুটিকে হত্যা করার হুমকি দেয়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, এ ঘটনার পরপরই শিশুটির মা টেকনাফ মডেল থানায় নারী ও শিশু দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

পাঠকের মতামত: