কক্সবাজার, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন লরার তাণ্ডবে ৪ জনের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা রাজ্যে হারিকেন লরার তাণ্ডবে গাছ উপড়ে পড়ে অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘন্টায় ১৫০ মাইল বেগে ঝড়ো হাওয়ায় মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পাঁচ লাখেরও বেশি ঘরবাড়ি বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একটি শিল্প এলাকার রাসায়নিকেও আগুন ধরেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

লুইজিয়ানার ছোট শহর ক্যামেরনের ওপর দিয়ে স্থানীয় সময় রাত ১টার একটু আগে ক্যাটাগরি চার মাত্রার এই ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে উঠে আসে।

বৃহস্পতিবার প্রথম প্রহরের বুলেটিনেই ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার এনএইচসি ঝড়ের সতর্কবার্তা দিয়ে মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলেছিল। লুইজিয়ানা ও টেক্সাসের কয়েকটি অংশ থেকে পাঁচ লাখ বাসিন্দাকে সরে যেতে বলা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ট্র্যাকিং সাইট পাওয়ারআউটেজের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রথম প্রহরে লুইজিয়ানার এক লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়ে, টেক্সাসে বিদ্যুৎবিহীন বাড়ির সংখ্যা ৪৫ হাজার ছাড়িয়ে যায়।

এরপর এই ঝড়ের তাণ্ডবে বৃহস্পতিবার ৪ জনের মৃত্যুর খবর এল। এর মধ্যে লিসভিলে বাড়ির গাছ উপড়ে পড়ে মারা গেছে ১৪ বছরের এক শিশু।

ঝড়টি এখন দুর্বল হয়ে আরকানস’ সীমান্তের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। এর আগে লরা ও অরেকটি ঝড় মারকো ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে তাণ্ডব চালিয়ে ২৪ জনের প্রাণ কেড়ে নেয়। মারকো সোমবার লুজিয়ানায় আঘাত হেনে প্রবল ঝড় ও ভারি বৃষ্টিপাত ঘটায়।

ঘূর্ণিঝড় লরার প্রভাবে লুইজিয়ানার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব আরকানস’তে বন্যা, বৃষ্টিপাত এবং প্রবল ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এনএইচসি।

উপকূলীয় এলাকাগুলোতে জলোচ্ছ্বাস দেখা দিতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

লুইজিয়ানার ৬লাখ বাড়ি এবং টেক্সাসে ১ লাখ ৮০ হাজার বাড়ি ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে ট্র্যাকিং সাইট পাওয়ারআউটেজ।

লেক চার্লস শহর এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলো ঝড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাঠকের মতামত: