কক্সবাজার, রোববার, ২৮ নভেম্বর ২০২১

যে কোন সময় আঘাত হানতে পারে সৌরঝড়

পৃথিবীতে আজই আঘত হানার কথা আছে সৌরঝড়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পৃথিবীর ইন্টারনেট ব্যবস্থা।

এই ঝড় আঘাত হানার পর সূর্য থেকে বের হবে লাখ লাখ টন গ্যাস। ক্ষতিগ্রস্ত হবে পৃথিবীর জিপিএস সিগনাল, স্যাটেলাইটগুলো আর বৈদ্যুতিক গ্রিডগুলো। পৃথিবীর দক্ষিণাঞ্চলে নর্দার্ন অরোরাগুলোও স্পষ্ট হয়ে উঠবে এই সৌরঝড়ের কারণে।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানায়, সূর্য থেকে রশ্নি বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। নাসা নিশ্চিত করেছে, এই রশ্নি এখন সূর্যের কেন্দ্রে আছে আর পৃথিবীর দিকেই তাক করে আছে। যেকোন সময় এই ঝড় পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ডে আছড়ে পড়লে ভেঙ্গে পড়তে পারে রেডিও সিগনাল। কিন্তু সূর্যের ক্ষতিকর তেজস্ক্রিয়তা পৃথিবীর বায়ুমন্ডল ভেদ করতে পারবে না। মানুষেরও কোন ক্ষতি হবে না।

তবে, জিপিস ব্যবস্থা ক্ষতির মুখে পড়বে। সূর্যের তেজ পৃথিবীর বায়ুমন্ডল থেকে দেখা যাবে অরোরা হিসেবে। উত্তর আর দক্ষিণ মেরুতে অরোরা তৈরি করবে এই সৌরঝড়। এই ঘটনায় কেঁপে উঠবে পৃথিবীর চারপাশে থাকা চৌম্বক ক্ষেত্র। দুই মেরুতে আরও ঘনঘন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠতে দেখা যাবে মেরুজ্যোতি।

এই সৌরঝড়ের জন্য কিছুক্ষণের জন্য হলেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ, দক্ষিণ মেরু, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও উত্তর মেরুর যাবতীয় রেডিও যোগাযোগ ব্যবস্থা। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বিশ্বের একাংশের বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থাও। ব্যাহত হতে পারে জিপিএস-মোবাইল-বিদ্যুৎ পরিষেবাও।

কী এই জিওম্যাগনেটিক স্টর্ম?

নাসার মতে, সৌরবাতাস থেকে যখন এক শক্তিশালী তরঙ্গ পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্রে আছড়ে পড়ে তখন পৃথিবীর আবহে একটা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অবশ্য শুধু তরঙ্গই নয়, সূর্য থেকে এই সময় পৃথিবীতে আছড়ে পড়ে প্লাজমাও। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় সূর্যের এক্স ১ ফ্লেয়ার বেরিয়ে আসে।

পাঠকের মতামত: