কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

রাজপথে জেলা আওয়ামী লীগ, শান্তিমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্টিত

বিএনপি জামায়াতের হরতাল ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, জেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ,শ্রমিকলীগ,মহিলা আওয়ামী লীগ,পৌর যুবলীগ, মৎস্যজীবি লীগ সহ দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে কক্সবাজার জেলা শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে বাজারঘাটায় শান্তিসমাবেশ করে। কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় শান্তিসমাবেশ অনষ্টিত হয়।

শান্তি সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন- বিএনপি-জামায়াত ও তাদের দোসররা বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিরুদ্ধে সমাবেশের নামে অগ্নিসন্ত্রাস,নৈরাজ্য,জ্বালাও পোডাও করে ঢাকার রাজপথে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে নিরীহ পুলিশ হত্যা করে দেশের শান্ত পরিবেশ কে বিঘ্নিত করে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ব্যাহত করে অরাজনৈতিক অপশক্তি কে ক্ষমতায় বসাতে চাই। বিএনপি-জামায়ত তাদের বিদেশী প্রভুর নির্দেশে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা চালাচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাচ্ছে ,দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীর নিচ দিয়ে বঙ্গবন্ধু টাণেল উদ্ধোধন করে ,ঢাকা এলিভেটেড়, এক্সপ্রেস, শাহজালাল বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক থার্ড টার্মিনাল উদ্ধোধন করে দেশ কে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তেমনি সময়ে বিএনপি জামায়াত অপশক্তি আন্দোলনের নামে দেশের শান্ত পরিবেশকে ব্যাহত করছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, কেবলমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে। বিএনপি-জামায়ত পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্টিত হতে চাই। এ দেশের জনগণ উন্নয়ন ও শান্তির পক্ষে। বিএনপি-জামায়তের হরতাল এ দেশের সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করছে। রাজপথ স্বাভাবিক রয়েছে, গাড়ি চলাচল প্রতিদিনের মত চলছে দোকান পাঠ খোলা রয়েছে। মোটকথা স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজমান করছে। কক্সবাজারের শান্ত পরিবেশ কে যদি বিঘ্নিত করা হয় তাহলে জনগণ কে সাথে নিয়ে তাদের কে রাজপথে প্রতিহত করা হবে।

শান্তিমিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কানিজ ফাতেমা আহমেদ, সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক,জেলা আওয়ামী লীগ নেতা পৌর মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী,,ইউনুচ বাঙ্গালী,কাউন্সিলর এম.এ মনজুর,কাজী মোস্তাক আহমেদ শামীম,মিজানুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজিবুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম মাদু,জেলা যুবলীগের সভাপতি(সাবেক) সোহেল আহমদ বাহদুর,জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম কালু, সাধারণ সম্পাদক শফিউল্লাহ আনসারী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন,জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদা তাহের,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রহিম উদ্দিন, জেলা তাতী লীগের সভাপতি আরিফুল মওলা, জেলা মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি আজিজুল হক, সাধারণ সম্পাদক দুলাল কান্তি দাশ,আওয়ামী লীগ নেতা কাউন্সিলর সালাউদ্দিন সেতু, জসিম উদ্দিন( সাবেক চেয়ারম্যান)মোহাম্মদ মহীদুল্লাহ,অধ্যাপক রোমেনা আকতার, আহসান সুমন, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আছিফ মওলা, সেলিম নেওয়াজ, নাজিম উদ্দিন,মিজানুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক দীপক দাশ,দপ্তর সম্পাদক শাহেদ আলী, এবিছিদ্দিক খোকন,সহদপ্তর সম্পাদক সোহেল রানা,জেলা যুবলীগ নেতা শোয়েব ইফতেখার, জাহিদ ইফতেখার, পৌর যুবলীগ সভাপতি ডালিম বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহেদ এমরান, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মঈনউদ্দিন,পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আতিক উল্লাহ কোম্পানী, সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া খান, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি আবদুল্লাহ মাসুদ আজাদ,সাধারন সম্পাদক ওসমানগণি টুলু, ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি জানে আলম পুতু, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদ মুরাদ সুমন,৪নং ওয়ার্ড সভাপতি আরমানুল আজিম, সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ,৫নংওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন,৬নং ওয়ার্ড সভাপতি শাহনেওয়াজ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হাবিব উল্লাহ, ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি জাফর আলম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সহসভাপতি বেলাল উদ্দিন,৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি জহিরুল কাদের ভুট্রো, সাধারণ সম্পাদক মেঝবাহ উদ্দিন কবির,১০ নং ওয়ার্ড সভাপতি নুর মোহাম্মদ,১১নং ওয়ার্ড সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুমন,১২ নং ওয়ার্ড সভাপতি শাহেদ আলী শাহেদ, মহিলা আওয়ামী ল নেত্রী দিপ্তিশর্মা সহ জেলা আওয়ামী লীগ, পেীর আওয়ামী লীগ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের অনেক নেতাকর্মী শান্তি মিছিল ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

পাঠকের মতামত: