কক্সবাজার, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২০

রোহিঙ্গাদের জন্য প্রস্তুত ভাসানচর, থাকছে সর্বোচ্চ আধুনিক সুযোগ সুবিধা

রোহিঙ্গা স্থানান্তরের জন্য পুরোদমে প্রস্তুত নোয়াখালীর ভাসানচর। এক লাখ মানুষের জন্য তৈরি এই আবাসন প্রকল্পে রাখা হয়েছে সব রকম নাগরিক সুবিধা। রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর জন্যও আছে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা।

ভাসানচর চট্রগ্রাম থেকে ২৪ নটিক্যাল মাইল, কিলোমিটারের হিসেবে প্রায় ৫০। সমুদ্রপথে আড়াই থেকে তিন ঘণ্টার পথ। এই পথেই স্থানীয় জাহাজের নিত্য যাত্রা। ভাসানচরের প্রকল্প পরিচালক জানালেন শুধু চট্রগ্রাম থেকে নয়, গন্তব্য যখন ভাসানচর, পথ তখন চতুর্মুখী।

বঙ্গোসাগরের বুকে স্থায়ী এই চারণভূমিকে দুবছরের মধ্যেই যেন বদলে ফেলা হয়েছে সবোর্চ্চ নাগরকি সুবিধা সম্পন্ন নগরীতে। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের জন্য এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে আছে ১শ’ ২০টি ক্লাস্টার হাউজ। প্রতিটি ক্লাস্টারে ভবন ১২টি। ভবনপ্রতি ১৬ ঘর। ৪ সদস্যের পরিবার হিসেবে মোট ১ লাখ মানুষের স্থান সংকুলান হবে ভাসানচরে।

প্রতিটি ক্লাস্টারের জন্য আছে একটি সাইক্লোন শেল্টার। যার উচ্চতা ১৪ ফুট। ১৭৬ বছরের ঘূর্ণিঝড়ের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই শেল্টার।

প্রকল্প পরিচালকের মতে, কক্সবাজারের তুলনায় রোহিঙ্গাদের জীবনমানে পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখেই অবকাঠামোর নকশা করা হয়েছে।

প্রকল্পে থাকছে বায়োগ্যাস, পরিবেশবান্ধব পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা। ভূগর্ভস্থ বিশুদ্ধ ও সুপেয় পানি। এক লাখ মানুষের তিনমাসের খাবার মজুতে এখানে করা হয়েছে তিনটি সুরক্ষিত ওয়্যারহাউজ।

পাঠকের মতামত: