কক্সবাজার, সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০

রোহিঙ্গাদের জন্য ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সর্বোচ্চ সুরক্ষা

রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা আর নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ নজর দেয়া হয়েছে ভাসানচরের আশ্রয়ণ প্রকল্পে। যাতে আছে ২৭৬ কিলোমিটার বেগের ঝড় সহ্যশক্তির ১২০টি শেল্টার হাউজ। আর প্রকল্পের নিরাপত্তায় আছে তিন স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। নিরাপত্তামূলক অবকাঠামোর নকশা তৈরিতে বিবেচনায় রাখা হয়েছে প্রায় ২০০ বছরের ঘুর্ণিঝড়ের ইতিহাস।

তোলা হয়েছে, মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প।

প্রায় ১৩ হাজার একরের ভাসানচর। যার মধ্যে সর্বোচ্চ জোয়ারে ব্যবহারযোগ্য ভূমি, সাত হাজার একর। এতে ১৭শ একর জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে, মিয়ানমারের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প।

ঝড়-জলোচ্ছ্বাস ঠেকাতে ভাসানচরে রাখা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দেশে প্রথমবারের মতো ব্যবহার হয়েছে এমন অবকাঠামো। যাতে প্রথম স্তুরে সাগরের ঢেউয়ের ক্ষীপ্রতা কমবে। ধারাবাহিকভাবে কমবে তার শক্তি। আছে দীর্ঘ এক বেড়িবাঁধ।

এতো গেলো চরের নিরাপত্তা। যাদের জন্য পরিকল্পিত এই আশ্রয়ন ব্যবস্থা, তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থাও সর্বোচ্চ। একটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের দ্বারা ১৭৬ বছরের ঘুর্ণিঝড় সমীক্ষা করে তৈরি হয়েছে প্রকল্পের শেল্টার হাউজগুলো।

প্রতিটি শেল্টার হাউজ মাটি থেকে থেকে চার ফিট উঁচুতে। আর যেখানে আশ্রয় নেবে মানুষ, তার উচ্চতা ১৪ ফিট। ঘণ্টায় ২৭৬ কিলোমিটার বেগের ঝড়ও সহ্য করতে পারবে এই ভবনগুলো।

১২০টি ক্লাস্টার হাউজে থাকা একেকটি চারতলার শেল্টার হাউজে আশ্রয় নিতে পারবে হাজারের বেশি মানুষ।

পাঠকের মতামত: