কক্সবাজার, বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

সাবেক এমপি বদি’র ২ ভাইসহ আত্মসমর্পণকৃত ২১ ইয়াবা কারবারীর জামিন

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী::

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) এর সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর বদি’র ২ভাই সহ আত্মসমর্পণকৃত ২১ ইয়াবাকারবারী জামিন লাভ করেছে। কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল গত ৩ নভেম্বর তাদের জামিন প্রদান করেন। বিশ্বস্ত সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, পুলিশের তৎকালীন আইজি ড. জাবেদ পাটোয়ারী, স্থানীয় সংসদ সদস্যগণ, ডিআইজি সহ আরো অনেক রাষ্ট্রীয় ভিআইপি’র উপস্থিতিতে টেকনাফ হাইস্কুল মাঠে ১০২ জন ইয়াবা ইয়াবাকারবারী আত্মসমর্পণ করেছিলো। এদের মধ্যে একজন মৃত্যুবরণ করে।

অবশিষ্ট ১০১ জন আত্মসমর্পণকৃত ইয়াবাকারবারীর মধ্যে ৫ জন গত ২৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে ইতিমধ্যে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেছে।
অপরদিকে, কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল প্রদত্ত ২১ জন ইয়াবা কারবারীর মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর বদি’র ২ ভাই হলো-আবদুর শুক্কুর ও আমিনুর রহমান প্রকাশ আবদুল আমিন। এরা ২ জন মামলার এজাহারের ১ ও ২ নম্বর আসামী। কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন প্রাপ্ত অন্যান্যরা হলো-মোঃ শাহেদ রহমান নিপু, ফয়সাল রহমান, নুরুল বশর কাউন্সিলর প্রকাশ নওশাদ, মারুফ বিন খলিল প্রকাশ বাবু, রেজাউল করিম মেম্বার, মোঃ হাবিবুর রহমান প্রকাশ নুর হাবিব, শামসুল আলম প্রকাশ শামসু মেম্বার, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ আলম, মোঃ জুহুর আলম, বোরহান উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, শফিকুল ইসলাম, কামরুল হাসান রাসেল, মং অং থেইন প্রকাশ মমচি, শামসুল আলম শামূম, হোছাইন আহমদ, মোহাম্মদ আয়ুব। জামিনপ্রাপ্তরা অন্য কোন মামলায় আটক না থাকলে ৯ নভেম্বর কারাগার থেকে মুক্তি পেতে পারে। এছাড়া হাইকোর্ট থেকে আগে জামিন নিয়ে যারা মুক্তি লাভ করেছে, তারা হলো-নুরুল হুদা মেম্বার, নুরুল কবির, মোহাম্মদ ইউনুস, মাহবুব আলম ও মঞ্জুর আলী। এ নিয়ে আত্মসমর্পণকৃত মোট ২৬ জন আসামী জামিন পলো।

কারাগারে থাকা একই মামলায় আরো ৪৭ জন আসামী সোমবার ৯ নভেম্বর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলো। জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল মামলার পরবর্তী ধার্য্য দিন আগামী ২২ নভেম্বর এই জামিন আবেদন সমুহ শুনানীর জন্য রেখেছেন।

২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর ১০২ জন আত্মসমর্পনের ঘটনায় ৩লক্ষ ৫০হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার এবং ৩০টি দেশীয় তৈরী এলজি ও ৭০টি কার্তুজ উদ্ধার দেখানো হয়। উদ্ধারকৃত মালামাল নিয়ে আত্মসমর্পণকারীদের বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক ২ টি মামলা দায়ের করা হয়। তারমধ্যে, অস্ত্র মামলার নম্বর হলো-এসপিটি-৭৩/২০২০ ইংরেজি। এ মামলায় ৮৬ জন আসামী জামিনে আছে। অস্ত্র মামলার নম্বর হলো-এসটি-৩৫৪/২০২০। সুত্র: সিবিএন

পাঠকের মতামত: