কক্সবাজার, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

সোলেইমানির দাফনে পদদলিত হয়ে নিহত ৩৫

বাগাদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানির দাফন অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার তার নিজ শহর কেরমানে। এতে বহু মানুষ অংশ নিয়েছিলো। অতিরিক্ত মানুষের চাপে পদদলিত হয়ে কমপক্ষে ৩৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪৫ জন।

এর আগে সোলাইমানির কফিন মঙ্গলবার সকালে তার জন্মভূমি কেরমান শহরে পৌঁছেছে বলে জানায় কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা। এরপরই শুরু হয় তাকে সমাহিত করার প্রক্রিয়া।

এর আগে সোমবার সকালে রাজধানী তেহরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের জুমা নামাজ প্রাঙ্গনে জেনারেল সোলেইমানির জানাজা সম্পন্ন হয়। এতে প্রচুর লোকের সমাগম হয়েছিলো। এই নামাজে ইমামতি করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলী খামেনি। এসময় তার চোখও জল দেখা যায়।

জানাজা শেষে বিকেলে জেনারেল সোলাইমানিসহ মার্কিন বিমান হামলায় নিহত পাঁচ কমান্ডারদের লাশ তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত কোম নগরীতে নেয়া হয়। সেখানকার জানাজাতেও লাখ লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার সকালেই ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরমান শহরে পৌঁছেছে সোলেইমানির কফিন। জেনারেল সোলাইমানির ইচ্ছানুযায়ী তার জন্মস্থানেই তাকে সমাহিত করা হয়। এখানে তার শেষ জানাযা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তার লাশ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

জানাজার মতো তার দাফনেও প্রচুর লোক সমাগম হয়। প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে মঙ্গলবার সকাল থেকেই প্রচুর লোক জমা হতে শুরু করেছেন কিরমানের সড়কগুলোতে। তাদের অনেকের হাতেই শোভা পাচ্ছে সোলেইমানির ছবি সম্বলিত পোস্টার। তারা ‘আমেরিকা নিপাত যাক’‘ইসরাইল নিপাত যাক’, ‘আমার ভাইকে যারা মেরেছে তাদেরকে হত্যা করব’ইত্যাদি স্লোগানে প্রকম্পিত করে তুলছে গোটা শহর।

ইরানের অন্যান্য শহর থেকেও লোকজন তার দাফন কাজে শরিক হতে ছুটে আসছেন। কেননা গোটা ইরান জুড়ে ছড়িছে রয়েছে তার অগণিত ভক্ত ও সমর্থক। শুধু ইরানই নয়; ইরাক, সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের লোকজনের কাছেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন কাসেম সোলেইমানি। তাই তার মৃত্যুতে শোকে ভাসছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। বিডি জার্নাল

পাঠকের মতামত: