কক্সবাজার, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪

২ যুবককে মারধরের অভিযোগ শালিক রেস্টুরেন্ট মালিক নাছিরের বিরুদ্ধে 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শহরের কলাতলি এলাকায় এরশাদ উল্লাহ ও ইরফান উল্লাহ নামের ২ যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিতর্কিত শালিক রেস্টুরেন্ট মালিক নাছির উদ্দিন বাচ্চুর বিরুদ্ধে।

 

বৃহস্পতিবার রাতে পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের কলাতলী ডলফিন মোড় এলাকার নতুন শালিক রেষ্টুরেন্ট এর পার্কিং জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এরশাদ উল্লাহ বাদি কক্সবাজার মডেল থানায় নাছির উদ্দিনকে প্রধান আসামি ও ৮ / ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, সী ওয়ার্ল্ড সিকিউরিটি সার্ভিস  সী ওয়ার্ল্ড সিকিউরিটি সার্ভিস এর একজন সিকিউরিটি গার্ড আব্দু জব্বার চকরিয়া উপজেলার নির্বাচন উপলক্ষ্যে ২ দিনের ছুটি নিয়ে আব্দু জব্বার ভোট দেওয়ার জন্য নিজ গ্রামে যায়। এরপর আব্দু জব্বার ছুটি শেষে ঘটনার দিন বুধবার শালিক রেষ্টুরেন্ট ডিউটির জন্য গেলে  শালিক রেস্টুরেন্টের মালিক নাছির উদ্দিন কতৃক জব্বারকে অহেতুক ভাবে মা, বাবা ধরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং তাকে চাকুরীচ্যুত করে।

 

কক্সবাজার পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের কলাতলী ডলফিন মোড়ে নাছিরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নতুন শালিক রেষ্টুরেন্ট এর পার্কিং জায়গায় দেখা করলে। নাছিরের নির্দেশে অজ্ঞাতনামা ৮/৯ জন মিলে শার্টের কলার ধরে টানা হেচড়া করে কিল, ঘুষি ও গাছের বাটন দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে এবং  মাথায়, কপালে, পিটে, দুই পায়ের রানে নিলা ফুলা জখম করে ভুক্তভোগী এরশাদ উল্লাহকে। এ সময় তাকে উদ্ধার করার জন্য তাঁর ছোট ভাই এরফান উল্লাহ চেষ্টা করলে নাছির ছোট ভাইকেও হত্যার উদ্দেশ্য হাতে গাছের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে মাথায়, পিটে, কোমরে, দুই পায়ের রানে, হাতে নিলা ফুলা ও রক্তাক্ত জখম সহ সর্বশরীরের অভ্যন্তরীন জখম করে। পরে সন্ত্রাসীরা   ওয়ার্ল্ড বীচ হোটেল থেকে কালেকশন বাবদ নগদ বিশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। এছাড়াও এরফান উল্লাহ কে নাছির ও তার দলবল টানা হেচড়া করে বিবাদীর শালিক রেষ্টুরেন্ট এর ২য় তলা নিয়ে আটক করিয়া রাখে। এরপর  হত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করে এরশাদ উল্লাহ কতৃক একটি নন জুডিসিয়াল খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায় করার অপচেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে এরশাদ উল্লাহ কৌশলে স্বাক্ষীদের ঘটনার বিষয় মোবাইল ফোনে এসএমএস করে: অবহিত করলে ঘটনাস্থল থেকে স্বজনরা উদ্ধারের চেষ্টা করলে নাছির ও তার দলবল মিলে তাদেরও হত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এরপর পুনরায় এরশাদ উল্লাহকে চড় থাপ্পর মারতে থাকে।

 

ঘটনাস্থ থেকে দুই যুবককে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে চিকিৎসা করেন।

 

আরও জানা যায় যে, ঘটনার পর থেকে মামলা মোকদ্দাম করিলে  মারধর, খুন, অপহরণ , ব্যবসা প্রতিষ্ঠান  বন্ধ করে দেওয়ার  হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

 

উল্লেখ্য: শালিক রেস্টুরেন্ট মালিকের বিরুদ্ধে কর্মী মারধরসহ নানা অভিযোগে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

পাঠকের মতামত: