কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

মাদক নির্মূলে সাংবাদিকদের নিয়ে মাঠে কাজ করতে চাই র‍্যাব-১৫ : সিও আজিম

নিজস্ব প্রতিবেদক::

কক্সবাজার এবং পার্শ্ববতী বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা পাচার রোধে সাংবাদিকদের নিয়ে মাঠে কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন র‍্যাব-১৫।র‍্যাবের কর্মকর্তারা জানালেন নতুন করে আসা বিপুল সংখ্যাক রোহিঙ্গাদের কারণে ইয়াবা ব্যবসা বা পাচার বন্ধ করা যাচ্ছেনা।

এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিত্তিকে বেশ কয়েক সহস্রাধিক ইয়াবা ব্যবসায়ি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন র‌্যাব-১৫ উইং কমান্ডার মোহাম্মদ আজিম উদ্দিন। তিনি ২৬ জুলাই সকালে র‌্যাব-১৫’র কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে এ মন্তব্য করেন। উইং কমান্ডার আজিম উদ্দিন আরো বলেণ,আমি গত ১৬ মাসে ইয়াবা মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সব সময় অব্যাহত ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। তবে দুঃখ জনক হচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা যে পরিমাণ কমার কথা সে পরিমাণ কমেনি বরং পাইকারী এবং খুচরা পর্যায়ে আরো বাড়ছে এতে আমাদের প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই আগামী প্রজন্মের স্বার্থে আমাদের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবন্ধ থেকে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি মাদক ব্যবসা বাড়ার পেছনে রোহিঙ্গাদের বড় ভুমিকা আছে এছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইয়াবার চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে ইয়াবা পাচার বাড়ছে এবং বেশ কিছু জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন সেক্টরের কারণেও ইয়াবা ব্যবসা কমছেনা বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় তিনি জেলা পুলিশের ঘোষনা ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মাদকমুক্ত করার বিষয়ে ঐক্যমত পোষন করে বলেন,আমাদের পক্ষ থেকে সব সময় মাদক নির্মূলে কাজ করছি, আমরা সবার সাথে সহযোগিতা করে কাজ করতে চায়।

এ সময় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে র‌্যাব কর্মকর্তাদের জানানো হয়,ইদানিং সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার কমে আসলেও নতুন আসা রোহিঙ্গারা মায়ানমারের সমস্ত পথঘাট জানা থাকায় তাঁরা মাদক পাচার করছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবহার বন্ধ করা,মিয়ানমারের সিম ব্যবহার বন্ধ করা,মাদকের সাথে পৃষ্টপোষকতাকারী জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের তালিকা প্রকাশ সহ তাদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া এবং মায়ানমার সীমান্তে ইয়াবা কারখানা বন্ধে আর্ন্তজাতিক ভাবে কাজ করা, গ্রাম পর্যায়ে অভিযান জোরদার করারও দাবী জানান। মত বিনিময় সভায় র‌্যাব-১৫’র মেজর মেহেদী হাসান,সহকারী পুলিশ সুপার বিধান চন্দ কর্মকার সহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত: