কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০

উখিয়ার দুই গ্রামের ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো

স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও যাতায়াতের একমাত্র ভরসা যখন বাঁশ। উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের উত্তর পুকুরিয়া এবং দক্ষিণ পুকুরিয়া বাসীর দুঃখ এই সংযোগ সেতুটি।

স্বাধীনতার পর থেকে বারবার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার পরেও এই একটা সেতু বঞ্চিত করছে দুই গ্রামের মানুষের সেতুবন্ধনকে। বিশেষ করে উত্তর পুকুরিয়ার মানুষের, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, রাজাপালং ফাজিল মাদ্রাসা, রাজাপালং প্রাইমারি স্কুল, এলাকার একমাত্র মহিলা মাদ্রাসা (রাজাপালং বায়তুশ শরফ জাব্বারিরা বালিকা মাদ্রাসা), উখিয়া সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়,উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উখিয়া কলেজ, উখিয়া সরকারী মহিলা কলেজ থেকে শুরু করে উখিয়া উপজেলার সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত একমাত্র সেতুটি স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও ৩/৪ টি বাশের উপর ভরসা করে দাড়িয়ে আছে। স্থানীয় কিছু সচেতন মানুষ নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে নিজেদের টাকায় সেতুর ২ টি পিলারের ব্যবস্থা করলে ও শেষ ভরসা হিসেবে এখনো তাহাদের বাঁশের উপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।

একবার চিন্তা করে দেখুন ত,
# একটা লাশ নিয়ে ৪ জন মানুষ একটা খাটিয়া নিয়ে কিভাবে পার হবে!
# একজন ছাত্রীর জন্য এই সেতুটি কতটা ভয়ংকর হবে!
# প্রসব বেদনায় চটপট করা মায়ের জন্য এই সেতুটি নতুন যন্ত্রণা দায়ক হবে!
# ৬০/৬৫ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ মা এবং বাবার জন্য এই সেতুটি কতটা ভয়ংকর হবে!

এত এত উন্নয়ন প্রকল্পের মাঝেও রাজাপালং ২ নং ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ এইসেতুটি এখনো বাশের উপর দাড়িয়ে আছে। এই লজ্জা কি এলাকাবাসীর নাকি রাষ্ট্রের!

জিয়া উদ্দিন,
স্থানীয় সচেতন যুবক।

পাঠকের মতামত: