কক্সবাজার, সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

তিন দিনে ১০ রোহিঙ্গা অপহরণ, মুক্তিপণে ফিরেছে ছয়জন

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নতুন ও পুরাতন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে দফায়-দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। তিন দিনে ১০ রোহিঙ্গাকে অপহরণ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরেছে।

যারা ফিরে এসেছেন- কুতুপালং ক্যাম্পের বি-ব্লকের রহমত উল্লাহ, ডি-ব্লকের মৌলভী জিয়াবুর রহমান, ছৈয়দ আকবর, এফ-ব্লকের আনিস উল্লাহ ও এজাহার, জি-ব্লকের মো. জসিম। জানা গেছে, শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ‘মুন্না’র গ্রুপ এই ১০ জনকে অপহরণ করেছিল।

আরো জানা গেছে, ২৬ আগস্ট রাতে সন্ত্রাসী গ্রুপের নেতা আবুল কালামকে অপহরণ করে আরেকটি গ্রুপ। ওই ঘটনায় পরদিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আবদুল হামিদসহ ১১ জনকে আসামি করে উখিয়া থানায় একটি মামলা করেন আবুল কালামের স্ত্রী নূর জাহান বেগম।

মো. আমির নামে এক রোহিঙ্গা জানান, পাঁচ দিন ধরে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পের ই-ব্লকের মোহাম্মদ ফরিদ, এফ-ব্লকের নুর হাশিম, মাস্টার মুন্না ও আন-রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পের নেতা রফিক উদ্দিন, হাফেজ জাবেদ, সাইফুলের মধ্যে কোন্দল শুরু হয়।

কুতুপালং আন-রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পের মাঝি নুরুল বশর বলেন, সকাল ১১টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংঘর্ষ হয়। ঘটনার পর থেকে ক্যাম্পে মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে কোথাও যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কুতুপালং রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পের এপিবিএন পরিদর্শক মো. সালেহ আহমদ পাঠান বলেন, বর্তমানে ক্যাম্পের পরিবেশ শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান খানের সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

পাঠকের মতামত: