কক্সবাজার, রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

উখিয়ায় এলজিইডি সড়ক, ব্রীজ- কালভার্ট ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক::

উখিয়ার উপকূলে যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম সোনারপাড়া-মনখালী এলজিইডি
সড়কের বিভিন্ন স্থানে সড়ক, ব্রীজ- কালভার্টের ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক
সময়ে বয়ে যাওয়া লাগাতার টানা বর্ষণে পাহাড়ী ঢলের পানিতে সৃষ্ট খানা খন্দক ও ভাঙ্গন
সংস্কারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন উদ্যোগ না নেওয়ায় বর্তমানে এ সড়কে বেশ কয়েকটি ব্রীজ-
কালভার্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
সরেজমিন উপকূলীয় এলাকা ঘুরে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেরিন ড্রাইভ সড়ক নিমার্ণের পূর্বে উখিয়া উপজেলা প্রকৌলশ অধিদপ্তরের তত্বাবধানে পাহাড় ঘেষে প্রতিষ্ঠিত এ সড়ক দিয়ে সোনারপাড়া থেকে মনখালী হয়ে টেকনাফের শাপলাপুর, বাহারছড়াসহ বিস্তৃর্ণ এলাকায় যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিল উখিয়া টেকনাফের উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত বৃহত্তর জনসাধারণ।
জালিয়াপালং ইউনিয়নের চোয়াংখালী গ্রামের মাস্টার নুর হোসাইন জানান, উপকূলে
বসবাসরত জনসাধারণ আশির দশকেও সড়কের অস্থিত্ব খুঁজে পায়নি। তখন এ এলাকায় ছিল না
কোন স্কুল, মাদ্রাসা, মক্তব ও চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠান। নব্বইয়ের দশকে উপজেলা প্রকৌশল
অধিদপ্তরের অর্থায়নে সোনারপাড়া থেকে মনখালী পর্যন্ত এলজিইডি সড়কটি নির্মিত হলে এতদাঞ্চলের নাগরিক সেবা বঞ্চিত বৃহত্তর জনসাধারণ উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা সক্ষম হয়। পরবর্তীতে মেরিন ড্রাইভ সড়ক নিমার্ণ হলেও এলজিইডি সড়কটি অধিকতর গুরুত্ব বহন করে আসছে। তাই এ সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানান ওই প্রবীণ শিক্ষক।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোজাম্মেল হক জানান, উপকূলীয় এলাকায় উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী
বিশেষ করে মৎস্য সম্পদ ও পান সুপারি স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে বিদেশে ও রপ্তানী হচ্ছে। তাই
উপকূলের জনজীবনের দ্রুত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দৃশ্যমান আধুনিকায়নসহ এলজিইডি সড়কে ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজ কালভার্ট ও সড়ক সংস্কার করা অতীব প্রয়োজন। তিনি বলেন, সড়কের ভাঙ্গনের ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অবহিত করা হয়েছে।
জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুুরুল আমিন চৌধুরী সোনারপাড়া-মনখালী সড়কের নাজুক পরিস্থিতির বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে অবহিত করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।
এব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, সড়ক ও ব্রীজের
ভাঙ্গন মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি করণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া
হয়েছে। বরাদ্ধ এলে কাজ শুরু করা হবে।

পাঠকের মতামত: