কক্সবাজার, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

বান্দরবানে সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা, জেএসএস নেতা অপহৃত

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে সাবেক এক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এছাড়া জনসংহতি সমিতির সংস্কার গ্রুপের এক নেতাকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদরের বৌদ্ধ মন্দিরের পেছনে নতুন পাড়া এলাকা সড়কে এ ঘটনা ঘটে। একদল মুখোশধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে এ হামলা চালায়। নিহত সাবেক ইউপি সদস্য জনসংহতি সমিতির সংস্কার গ্রুপের সমর্থক কিনা তা এখনো জানা যায়নি।
নিহত সাবেক ইউপি সদস্যের নাম চাউ প্রু মারমা (৫০)। তিনি রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস‍্য ছিলেন। অপহৃত ব্যক্তির নাম মে অং মারমা (৪৫)। তিনি নবগঠিত জনসংহতি সমিতির সংস্কার গ্রুপের বান্দরবান জেলা কমিটির যুব বিষয়ক সম্পাদক।
বান্দরবানে আজকের ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান থানচি উপজেলার নতুন থানা ভবন উদ্বোধন শেষে দু’দিনের সফরে সেখানেই অবস্থান করছেন। তার সাথে পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ বিজিবি ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
এদিকে এ ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা গিয়েছে। আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা রোয়াংছড়ি বাজার বন্ধ করে দিয়েছে। বাজার সংলগ্ন মারমা পাড়া থেকে স্থানীয়রা পালিয়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে। রোয়াংছড়ি বাজারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম তহিদুল কবির জানান, সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বৌদ্ধ মন্দিরের পিছনের সড়কে নতুন পাড়ার কাছে অতর্কিত হামলা করে সাবেক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে। এছাড়া এক জনকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনার পর সেখানে স্থানীয়দের নিরাপত্তা দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করছে।
এর আগে গত কয়েকদিন আগে সন্ত্রাসীরা সদর ইউনিয়নের জামছড়ি বাজারে জনসংহতি সমিতির এক সমর্থককে গুলি করে হত্যা করে। এর আগে গত ৭ জুলাই সন্ত্রাসীরা বাগমারা বাজারে জনসংহতি সমিতির সংস্কার গ্রুপের কেন্দ্রীয় নেতাসহ ছয়জনকে গুলি করে হত্যা করে।

পাঠকের মতামত: