কক্সবাজার, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফিরে দেখা-টেকনাফ মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর

এক বছরে ১ লক্ষ,৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, ২৭০ জন কারবারী আটক

গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ::

বিগত কয়েক বছর ধরে সারা বাংলাদেশে মাদকের আগ্রাসন বেড়ে যাওয়াই মাদক পাচার প্রতিরোধ ও কারবারীদের নির্মুল করার জন্য সরকার মাদক নির্মুলে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে। এরপর থেকে সেই নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা মাদক পাচার প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে।
এদিকে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে বিজিবি,পুলিশ,র‍্যাব,কোস্টগার্ডসদস্যদের পাশাপাশি কঠোর ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর। সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অফিসে দায়িত্বরত সদস্যরা মাদক পাচার প্রতিরোধে পালন করে যাচ্ছে অগ্রনী ভুমিকা।
তথ্য সুত্রে জানা যায়,

বিদায়ী বছর ২০১৯ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত টেকনাফ মাদকদ্রব্য অফিসে কর্মরত সদস্যদের অভিযানে ১ লক্ষ,৮০ হাজার,১৫১পিস ইয়াবা ৩২ হাজার ৯৭৯ লিটার চোলাই মদ,১৪কেজি, ৩শত গ্রাম গাঁজা,৩ বোতল বিদেশী মদ ও মাদক বিক্রির ১লক্ষ,১২ হাজার,৪৯৮টাকা উদ্ধার করেছে।গত এক বছরে মাদক বিরোধী ৯৮০টি অভিযান পরিচালনা করে মাদক পাচারে জড়িত ২৭০জন অপরাধীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে ৪১জন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা। তবে এই সমস্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মাত্র ১৯৬টি মামলা রুজু করা হয়েছে।

এদিকে নতুন বছরের ২ জানুয়ারী সারাদেশের ন্যায় টেকনাফেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

প্রতিষ্টাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২ জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টায় মাদক বিরোধী র‍্যালী ও এক সেমিনার অনুষ্টিত হয়েছে। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম (সাইফ), টেকনাফ পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাংবাদিক জাবেদ ইকবাল চৌধুরী,টেকনাফ মাদকদ্রব্য অফিসের ইনচার্জ তরুন কুমার রায়,মাষ্টার আশেক উল্লাহ ফারুকী,সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন ভুলু প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন টেকনাফবাসীকে মাদকের আগ্রাসন থেকে বাঁচানোর জন্য সংশ্লিষ্ট আইন-শৃংখলা বাহিনীকে সততার সাথে দেশ প্রেমিক হয়ে কাজ করতে হবে।

পাশাপাশি মাদক পাচার প্রতিরোধ ও মাদক কারবারে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওয়তাই নিয়ে আসার জন্য সঠিক তথ্য দিয়ে স্থানীয় আইন-শৃংখলা বাহিনীকে সহযোগীতা করার আহবান জানান বক্তারা।

পাঠকের মতামত: