কক্সবাজার, শুক্রবার, ২০ নভেম্বর ২০২০

দখল দূষনে অস্তিত্ব হারাচ্ছে উখিয়ার দারোগার বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক::

প্রশাসনের সুষ্ঠ নজরদারির অভাবে কতিপয় উপ ইজারাদারের অনৈতিক খবরদারির প্রভাবে উখিয়ার অন্যতম বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উখিয়ার দারোগা বাজারসহ আরও ৭/৮টি হাট বাজার অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। দখল দূষনের কবলে পরে বাজারের আয়তন ক্রমশ ছোট হয়ে যাওয়ায় ক্রেতা বিক্রেতাদের পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দূর্ভোগ।

বাজারের কয়েকজন প্রবীন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ করে জানতে চাওয়া হলে তারা
এসব কথা বলেন। বাজারের প্রবীন ব্যবসায়ী পরিমল সেন বলেন, তৎকালীন সময়ে উখিয়া থানার দায়িত্বরত এক দারোগা সাড়ে ৩ একরের এই বাজারটি প্রতিষ্ঠা করেছিল বলেই উখিয়া শহরের এ বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটি দারোগা বাজার নামে পরিচিত।

স্থাণীয় একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদ কাজী রফিক উদ্দিন জানান, বাজারের আগের যে জৌলস ছিল এখন আর তা নেই। যে যেখানে বসেছে সেটি তার দখলে
চলে গেছে। বাজার থেকে প্রতি অর্থ বছরে ইজারার মাধ্যমে কোটি টাকার মত রাজস্ব আদায় করা হলেও বাজাগুলোতে দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন করা হয়নি।

বাজারের একমাত্র ঝাড়–দার জাফর আলম অভিযোগ করে জানায়, তরি তরকারি ব্যবসায়িদের দখলে বাজার চরে গেছে। তাদের ফেলা উচ্ছৃষ্ট বজ্য রাখার জায়গা না থাকায় বাজারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ক্রেতা বিক্রেতাদের হাপিয়ে তুলেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ বাজারের চান্দিনা ভিটায় স্থায়ী পাকা স্থাপনা নির্মানে উপ বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এ শ্রেণির ইয়াবা কারবারি আগের স্থাপনা ভেঙ্গে নতুন করে বহুতল ভবন নির্মান করছে।

বিষয়টি সহকারী কমিশনার মো: ইমামুল এহসান খান জানানো হলে তিনি সার্ভেয়ার পাঠিয়ে অবৈধ নির্মান কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। কে শুনে কার কথা, উপরোন্ত অবৈধ বসতবাড়ি নির্মানকারীদের হুমকীতে কলম থেমে যাওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

তবে ইউনো নিকারুজ্জামন বলেছেন, সে যত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ব্যবসায়ী হোক না কেন তাতে কিছু যায় আসে না। বাজারের এক নং খাস খতিয়ানে ফেরি ফেরি জায়গা দখল করে বহুতল ভবন নির্মান করা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পাঠকের মতামত: