কক্সবাজার, রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু উখিয়ার ১৬টি পূজামণ্ডপের শারদীয় দুর্গাপূজা

 

শাহেদ হোছাইন মুবিন, উখিয়া :
মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে সোমবার ( ১১ অক্টোবর ২০২১ ) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনের সার্বজনীন শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে । ধূপ, পঞ্চপ্রদীপ, উলুধ্বনি আর ঢাকের তালে দেবী দুর্গা অধিষ্ঠিত হবেন। পঞ্জিকা অনুযায়ী সকাল ৮টা ৫৯ মিনিটের পর দেবীর ষষ্ঠাদি কলারাম্ভ ও বিহিত পূজা শুরু হয়েছে । স্বায়ংকালে অর্থাৎ সন্ধ্যাবেলায় দেবী দুর্গার আমন্ত্রণ ও অধিবাস । এ আমন্ত্রণই হলো বোধন। দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে এ কদিন সারা দেশের মণ্ডপ আর মন্দিরগুলো ভক্ত ও পূজারিদের পদচারণায় মুখরিত। আগামী ১৫ অক্টোবর (শুক্রবার) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বাঙালির এই শারদীয় দুর্গাপূজা।

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে এখন সারাদেশে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। দুর্গাপূজাকে আনন্দমুখর করে তুলতে দেশজুড়ে পূজা মণ্ডপগুলো বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছে।

এদিকে সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ ১৬টি পূজা মন্ডপে বর্ণাঢ্য রঙের আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে নানা রঙ-ঢঙে। ।

উখিয়া সদর দারোগা বাজারে দেখা যায়, প্রতিটি প্রতিমা রঙ-তুলির নিপুণ আঁচড়ে সাজ সজ্জা। দেবী দুর্গার সাথে সাজিয়ে তোলা হয়েছে কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী আর সরস্বতী দেবীকেও।

শনিবার উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের সাথে পূজা উদযাপন পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল পূজামন্ডপে দুর্গোৎসব পালন করতে হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

উখিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও ইউপি সদস্য স্বপন শর্মা রনি বলেন,এবছর উখিয়া উপজেলার ১৫টি পূজামন্ডপ ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ১টি সহ মোট ১৬টি পূজামন্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে । রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন বালুখালীর একটি মন্দির অতি ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিতে থাকা মন্দিরের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে মতবিনিময় সভায় নিরাপত্তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ এ বছর সারা দেশে ৩২ হাজার ১১৮টি পূজামণ্ডপে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে উৎসব-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পরিহার করে সীমিত পরিসরে রাখতে ভক্তদের প্রতি অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ।

পাঠকের মতামত: