কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

বাজে ফিল্ডিং, শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশ

বাজে ফিল্ডিং, শ্রীলঙ্কার কাছে বাজেভাবে হারল বাংলাদেশ। পুরো শারজাহ স্টেডিয়াম স্তব্ধ। হাতে যেন মাখন মেখে নেমেছিলেন লিটন দাস! না হলে এভাবে কেউ ক্যাচ ফসকে দেয়?। এক বার নয়, দুবার একই ভুল। ক্যাচ ফসকালো তো ফস্কে গেলো ম্যাচটাও। সব মিলিয়ে হার দিয়েই বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভ অভিযান শুরু হলো বাংলাদেশের। বাংলাদেশের দেয়া ১৭২ রানের টার্গেটে ব্যাট করে ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে লঙ্কানরা।

লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা ম্যাচটিতে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রানের বিশাল রান দাঁড় করালেও লঙ্কানরা ৫ উইকেট হারিয়ে এই রান তাড়া করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচটিতে লিটন দাস দুটি সহজ ক্যাচ মিস করেন। আর এ ক্যাচ মিসের খেসারতই দিতে হলো টাইগারদের।

লঙ্কানদের হয়ে ৪৯ বল খেলে সর্বোচ্চ ৮০ রান করে অপরাজিত ছিলেন চারিথ আসালাঙ্কা। তার ক্যাচই মিস করে বসেন লিটন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করায় তার হাতে তুলে দেয়া হয় ম্যাচ সেরার পুরষ্কার। এর আগে শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নাঈম ও মুশফিকের হাফসেঞ্চুরির সুবাদে লঙ্কানদের বিপক্ষে লড়াকু পুঁজি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ম্যাচটিসে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। বাংলাদেশের হয়ে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন নাঈম শেখ। তিনি ৫২ বল খেলে ৬২ রান করেন। এর আগে বাছাইপর্বে তিনি ওমানের বিপক্ষে তিনি ৫০ বল খেলে ৬৪ রান করেন। বিশ্বকাপে এটি তার দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরির মার। বাংলাদেশের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ তিনটি হাফসেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের। আর দুটি ছিল মোহাম্মদ আশরাফুলের। এখন আশরাফুলের পাশে বসলেন নাঈম শেখ।

দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৭ রান আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে। বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোতে ভালো করতে না পারলেও এদিন লঙ্কানদের বিপক্ষে জ্বলে উঠেন তিনি। বিশ্বকাপে এটি মুশফিকের প্রথম হাফসেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুরে ৪৭ রান করেছিলেন তিনি। এতদিন বিশ্বকাপে এটিই ছিল তার সর্বোচ্চ রান।

ম্যাচটিতে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন ঘটে দলীয় ৪০ রানের সময়। এ সময় ১৬ বল খেলে ১৬ রান করে আউট হন। এরপর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। বাছাইয়ে ব্যাটিংয়ে অসাধারণ পারফরমেন্স করলেও লঙ্কানদের বিপক্ষে ১০ বল খেলে ৭ রান করে তিনি চামিকা করুণারত্নের বলে বোল্ড আউট হয়ে যান। এরপরই আসেন মুশফিক। তিনি এসেই ঝড়ো ইনিংস খেলা শুরু করেন।

পাঠকের মতামত: