কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

কাল রামুর ১১ ইউনিয়নে ভোট

রামু উপজেলার এগার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামীকাল ১১ নভেম্বর। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য ইতোমধ্যে রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এগার ইউপি নির্বাচনে ৬৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রচার-প্রচারণায় পুরোদমে নেমে পড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকরা। নির্বাচনী উত্তাপে পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার স্টেশন পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে চারিদিক। কর্মীসভা, গণসংযোগ আবার কখনো শোডাউনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রার্থীরা কৌশলী প্রচারণা চালাচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার ছিল সকল প্রার্থীর শেষ প্রচারণা। ভোটারদের মন ধরে রাখতে বাড়ি বাড়ি প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি ভোটারদের পক্ষে রাখতে টাকার লেনদেন হচ্ছে বলেও প্রচারিত হচ্ছে ভোটারদের মুখে মুখে। রামু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহমুজুল ইসলাম জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একাধিক ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সজাগ রয়েছে। নির্বাচন চলাকালীন যেকোন অপ্রীতিকর ঘটনা কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে। প্রার্থীরা প্রতিপক্ষের বাড়ির কাছের কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিযোগ করলেও আমরা মনে করি, কোন কেন্দ্রই ঝুকিপূর্ণ নয়। তবুও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।
জানা গেছে, রামুতে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নির্বাচন হচ্ছে, উপজেলার সদর ইউনিয়ন ফতেখাঁরকুল ইউপি নির্বাচন। এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে ভোটারদের মাঝে চলছে, নানা জল্পনা কল্পনা। প্রার্থীর জনপ্রিয়তা নিয়ে চলছে চুলছেড়া বিচার বিশ্লেষণ। এ ইউনিয়নে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার ধারণা করছেন ভোটাররা। প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত উপজেলা আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল হক চৌধুরী (নৌকা)। স্বতন্ত্র প্রার্থী আ. লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ. লীগের যুগ্ম-সম্পাদক ফরিদুল আলম (মোটর সাইকেল), উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি, বর্তমানে আ. লীগে যোগদানকারী ও সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো (আনারস)। উপজেলার সদর ইউনিয়ন হওয়ায়, ফতেখাঁরকুল ইউপি নির্বাচন নিয়ে ভোটারের কৌতুহলও বেশী।
নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নুরুল হক চৌধুরী স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যানের আপন চাচাতো ভাই হওয়ায় এ নির্বাচনকে মর্যাদার লড়াই বলে ভাবছেন ভোটাররা। ভোট যুদ্ধে বিজয়ী হতে তিন প্রার্থীই বিভিন্ন নেতাকর্মী ও সমাজনেতাদের সমর্থনের পাশাপাশি নানা কৌশলে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পাঠকের মতামত: