কক্সবাজার, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

বন্দরে বেড়েই চলছে পেঁয়াজ আমদানি

টেকনাফে চারদিনে পেঁয়াজ এসেছে ৪৭১৫ মেট্রিক টন

গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ::

মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত চারদিনে মিয়ানমার থেকে টেকনাফ বন্দরে এসেছে ৪৭১৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ।
সর্বশেষ ৪ ফেব্রুয়ারী (মঙ্গলবার) এসেছে ৮০১ দশমিক ৭১১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করতে সক্ষম হয়েছে ব্যবসায়ীরা।

টেকনাফ স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা যায়,ফেব্রুয়ারী মাসের শুরুতে প্রথম দিন ৯৬৪.৭৫০ মেট্রিকটন, দ্বিতীয় দিন ১৩৯৭.৮৩০ মেট্রিক টন, তৃতীয় দিন ১৫৫১.৩১৫ মেট্রিক টন এবং গতকাল ৮০১.৭১১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকে ব্যবসায়ীরা বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ মাসে বেশী রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মো: আবছার উদ্দিন বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে এ স্থলবন্দরে আজ ৮০১. ৭১১ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এবং আরও পেঁয়াজ ভর্তি ট্রলার আসার পথে রয়েছে। বন্দরে ধারাবাহিক ভাবে পেঁয়াজ আমদানি করে যাচ্ছেন ১৩ জন ব্যবসায়ী।

দেশে পেঁয়াজের প্রচুর চাহিদা থাকার কারণে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানায় তারা। এই আমদানিকৃত পেঁয়াজ গুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়েছে।

টেকনাফ শুল্ক বিভাগের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে আগের তুলনায় পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের চার দিনে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এসেছে ৪৭১৫ মেট্রিক টন। গত জানুয়ারি মাসে এসেছিল ১৫ হাজার ৭৬৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ, ডিসেম্বরে ১৪ হাজার ৬৪৭ মেট্রিক টন, নভেম্বর মাসে ২১ হাজার ৫৬০ মেট্রিক টন, অক্টোবরে আসে ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এছাড়া সেপ্টেম্বর মাসে ৩৫৭৩ মেট্রিক টন এবং আগস্ট মাসে ৮৪ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। সব মিলিয়ে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের এ পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৮১ হাজার ১৮৭ মেট্রিক টন।

বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান দেশের চাহিদার কারণে মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি বাড়ছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। যথাসম্ভব দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম সহনশীল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা।

টেকনাফ স্থলবন্দরের ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট ব্যবস্থাপক মো: জসিম উদ্দীন চৌধুরী বলেন, মিয়ানমার থেকে আবারও পেঁয়াজ আমদানি বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ আমদানি করছেন। তবে আমদানিকৃত পেঁয়াজ সমূহ দ্রুত সময়ে খালাস করে সরবরাহ করা হয়েছে।

পাঠকের মতামত: