কক্সবাজার, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

অস্ত্র-মাদকে রোহিঙ্গা রাজ্য

রোহিঙ্গারা এখন কোটিপতি! ওদের বড় অংশকে এখন আর মানুষের কাছে সাহায্য চাইতে হচ্ছে না। তিন বছরে বদলে গেছে। সে সময়ে এদেশের মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর অনুগত থাকলেও এখন তা আর নেই। আশ্রিত রোহিঙ্গারা নিজেরাই এখন সংঘবদ্ধ। মাদক-অস্ত্রের চেরাগে অন্যরকম জীবনে। তাদের এখন আছে লাখ লাখ টাকা। খুঁজে পেয়েছেন ব্যবসার মাধ্যম। আছে স্বর্ণের বার। রয়েছে অবৈধ অস্ত্র। লাখ লাখ ইয়াবার কারবারিও জমে গেছে। ক্যাম্পের অভ্যন্তরে রয়েছে নিজেদের মার্কেট। ধুম চলছে বেচাকেনা। বনবিভাগের জায়গাও এখন রোহিঙ্গাদের দখলে। সন্ধ্যা হলেই স্থানীয় বাসিন্দারা রোহিঙ্গাদের ভয়ে আর কেউ ঘর থেকে বের হন না। অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন।

পুরো রাজত্ব ওদের হাতেই। প্রশাসনও অসহায় হয়ে পড়েছে। পুলিশের গুলিকেও এখন রোহিঙ্গারা ভয় পাচ্ছে না। ক্যাম্পে ক্যাম্পে অস্ত্র-মাদক মজুদ রাখার তথ্য রয়েছে প্রশাসনের কাছে। ইয়াবা বিক্রি করে বন্দুক নিয়ে আসছে আশ্রয়শিবিরে। অস্ত্রধারী আলিকিন, আরসা, মুন্না গ্রুপের প্রভাব বেড়েছে। আলিকিন গ্রুপ অস্ত্র নিয়ে ছবি প্রকাশ করার পর স্থানীয়রা প্রতি মুহূর্তে আতঙ্কে থাকেন। এই গ্রুপের সদস্যরা মানুষের টাকা-পয়সা নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ওপর সংঘবদ্ধভাবে হামলা করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পে পুরো রাত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের দখলে। সেখানে গড়ে উঠছে পাহাড়ি এলাকায় একাধিক অস্ত্র তৈরির কারখানা। ক্যাম্পে ক্যাম্পে পরিচিতি পাচ্ছে অস্ত্রের গুদামের। তৈরিকৃত অস্ত্র সাতকানিয়া, বান্দরবান, রাঙামাটি, নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা-আলী কদম, আনোয়ারা, বাঁশখালী, পতেঙ্গা, সীতাকুণ্ড, ঘুমধুম, উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্ত হয়ে ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সমুদ্র, উপকূল, সীমান্ত জল-পাহাড়ি জনপদ দিয়েও ক্যাম্পে অস্ত্র ঢুকছে। আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে পেশাদার খুনিরা। তারা ক্যাম্পে চুক্তিতে খুনের কাজ করে, হত্যা শেষে আবার চলে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে মুখেই রোহিঙ্গাদের হাতে জিম্মি ও আতঙ্কের এ অভিজ্ঞতার অভিযোগ। গত তিন বছরে উখিয়া ও টেকনাফের পাহাড়ে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের হিংস্রতা শুধু ক্যাম্পে, ক্যাম্পের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় অনেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হাতে অপহরণ ও হত্যার শিকারের ঘটনা ঘটছে।

ক্যাম্প ও স্থানীয় সূত্রমতে, শরণার্থী উদ্বাস্তুরা আশ্রয়শিবিরে আইন মানছেন না। বাইরে কোথাও যেতে হলে ক্যাম্প ইনচার্জের অনুমতি নিয়েই যেতে হয়। রোহিঙ্গারা এখন আর সেটি তোয়াক্কা করছেন না। ব্যবসা করছে, দোকান খুলে বসেছেন। আশ্রিত দেশের মুদ্রা ব্যবহার করছেন। প্রভাব খাটিয়ে এনজিওগুলোতে চাকরি করছেন। প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা বিভিন্ন এনজিওতে চাকরি করছেন।

অন্যদিকে স্থানীয়রা হয়ে পড়েছেন কর্মহীন। আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে সব ধরনের অনিয়ম করে যাচ্ছেন। আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের কারবারিও তারা করছেন। রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অসহায় পড়েছেন। নিতে পারছেন না কার্যত উদ্যেগ। পুলিশ কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবস্থা নিতে গেলে রোহিঙ্গারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে পুলিশের দিকে আক্রমণ করতে আসে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। পুলিশের গুলিকেও এখন আর রোহিঙ্গারা ভয় পাচ্ছেন না।

স্থানীয় এক বাসিন্দা আজমল হোসেন বলেন, প্রথমদিকে রোহিঙ্গাদের আচরণ আর বর্তমান আচরণের মধ্যে অনেক পার্থক্য দেখতেছি। তারা এখন কাউকে আর মানছেন। আমাদের সাহায্যে সহানুভূতিকেও তারা ভুলে গেছেন। আমাদের দেশের মানুষের কথা এক সময় তারা শুনলেও এখন শুনছেন না। পুলিশের সঙ্গেও অনেকবার বাক বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখেছি। পুলিশে অস্ত্র দেখালে তারা আরো সামনে এগিয়ে আসে। এখন পুলিশও তাদের ভয় পায়। কারণ, রোহিঙ্গা এখন অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাবলম্বী। তাদের কাছে এখন টাকা আছে। ব্যবস্থা আছে। অস্ত্রও আছে। শক্তিশালী যোগাযোগ আছে।

উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পের এক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য জানান, এখনি রোহিঙ্গাদের কার্যক্রমে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা খুব বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। ছোট-বড় অপরাধের জন্য তাদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণের জন্য ক্যাম্পে জেলখানাসহ কঠোর পদক্ষেপ নেয়া আবশ্যক হয়ে পড়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রমতে, গেলো বছর প্রায় শতাধিক দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। সমপ্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাওয়ার সময় একাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যে আরো কয়েকজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ইয়াবার বিনিময়ে ক্যাম্পের জন্য অস্ত্র সংগ্রহের চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।

তারা রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় এজেন্টদের মাধ্যমে ইয়াবা পৌঁছে দিয়ে বিনিময়ে আগ্নেয়াস্ত্র নেয়। বর্তমানে ৩২টি সশস্ত্র গ্রুপ রোহিঙ্গাদের ৩৪টি ক্যাম্প নিয়ন্ত্রণ করছে। রাত নামলে ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গারা আতঙ্কে থাকে। গত এক বছর রোহিঙ্গাদের কর্মফলে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৫ আগস্ট কক্সবাজারের টেকনাফে ২২ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের উগ্রপন্থি গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সাধারণ রোহিঙ্গাদের সংঘর্ষের ঘটনায় নারী-পুরুষসহ ১১ জন আহত হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে আটক করে।

এ সময় ৫০-৬০ রাউন্ডের অধিক গুলিবিনিময় হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, কিরিচ, সাত রাউন্ড কার্তুজ ও অস্ত্রসহ ৯ জনকে আটক করে। গত ৬ অক্টোবর সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ ৯ জন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২ (ইস্ট) এ দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে; এতে দুই রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত এবং সাতজন আহত হয়।

এ ছাড়া সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আরো একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানান, ‘এ সময় আটক রোহিঙ্গাদের থেকে অস্ত্র, ২০টি গুলি, দুটি ছুরি, দুটি দাসহ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।’ ১৬ এপ্রিল ২০২০ টেকনাফ উপকূলে তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে কোস্ট গার্ড।

কোস্ট গার্ড চট্টগ্রাম পূর্ব জোনের অপারেশন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ‘তিন শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। তারা বেশ কিছুদিন আগে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় যাত্রা করেছিল। কিন্তু কড়াকড়ির কারণে সেখানে ভিড়তে না পেরে তারা আবার টেকনাফ ফিরে আসে। এ সময় তাদের আটক করা হয়। এদের মধ্যে বেশির ভাগ নারী ও শিশু।

১৭ নভেম্বর কক্সবাজারের টেকনাফে এক লাখ ৩০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করে বিজিবি। বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান তখন ঘটনার সত্যতা সত্যতা গণমাধ্যমকে জানান। গত ৭ ডিসেম্বর ২০২০ ছেড়াদ্বীপে সাড়ে ২২ কোটি টাকার ইয়াবাসহ তিন রোহিঙ্গাকে আটক করে কোস্ট গার্ড।

কোস্ট গার্ড টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে সাগরপথে ইয়াবার বড় চালান বাংলাদেশে আসছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিনস কোস্ট গার্ডের যৌথ টিম ছেড়াদ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহজনকভাবে একটি মাছ ধরার ট্রলারে তল্লাশি করে তিন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি চালিয়ে চার লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবা আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা। গত ২৮ ডিসেম্বর উখিয়ায় এক লাখ ২০ হাজার ইয়াবাসহ চার রোহিঙ্গা আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবির কক্সবাজারস্থ ৩৪ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক ও অতিরিক্ত পরিচালক মো. আবদুল আজিজ ভূঁইয়া জানান, আটকের পর ওই চার রোহিঙ্গার শরীরে অতি কৌশলে বাঁধা অবস্থায় লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো ব্যাগ তল্লাশি করে এক লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

২ জানুয়ারি বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ডিসি রোড এলাকায় ঘোরাফেরার সময় ১০ রোহিঙ্গাকে আটক করে পুলিশ। পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. কুতুব উদ্দিন ও এএসআই রিন্টু দাশ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের একটি দল তাদের আটক করে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য রোহিঙ্গারা অস্ত্র বহন করছে। ক্যাম্প এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। অস্ত্র ও ইয়াবা কারবারিতে জড়িতদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’ টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক কারবার, চোরাচালান ও মানবপাচারের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। টেকনাফের বাসিন্দাদের তারা অস্ত্র দিয়ে শাসন করতে চাইছে।

এ নিয়ে জানতে চাইলে বালুখালি ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সেলিম জাহাঙ্গীর আমার সংবাদকে বলেন, ‘বাংলাদেশ মানবতার খাতিরে এদের আশ্রয় দিছে, অথচ এদের থেকে অস্ত্র-মাদক-ইয়াবা-সন্ত্রাসী কর্ম কোনো কিছুই বাদ যাচ্ছে না । মুন্না গ্রুপ, আলিকিন, আরসাসহ এদের আছে অনেক গ্রুপ। বিশেষ করে আলিকিন গ্রুপের সদস্যরা মানুষের টাকা-পয়সা নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের ওপর সংঘবদ্ধভাবে হামলা করে। এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। আমরা যারা স্থানীয় রয়েছি তারা আলিকিনকে ভয় পাচ্ছি। তাদের কাছে রয়েছে এমন অনেক কিছুই, স্থানীয়রা যা চোখে দেখেছেন। রোহিঙ্গা যেখানে-সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করছে যার কারণে অনেক রোগবালাই ছড়িয়ে গেছে। আমরা যারা এখানে আগে জমিনে চাষ করতাম এখন সেগুলোও হচ্ছে না। রাত হলে আমরা যারা স্থানীয় রয়েছি অনেকেই ভয়ে বের হই না। আর এখানে এখন অনেক ভয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের ইয়াবা ব্যবসা। আর এটি মৌলিকভাবে সাপোর্ট দিচ্ছে মিয়ানমারের একটা গোষ্ঠী। কারণ তারা কোণোভাবেই চায় না ক্যাম্প শান্ত থাকুক। তারা অস্ত্র দিয়েও সহযোগিতা করে বলে শোনা যায়।

এ বিষয়ে শরণার্থী ক্যাম্পে দায়িত্বে থাকা কক্সবাজারের ১৬ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ হেমায়েতুল ইসলাম আমার সংবাদকে বলেন, ‘হঠাৎ ক্যাম্পে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। ক্যাম্পে কীভাবে অস্ত্র আসছে বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। পাশাপাশি অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাসানুজ্জামান আমার সংবাদকে বলেন, ‘ক্যাম্পে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয়টি পুলিশ সবসময় নজর রাখছে। পুলিশের বিশেষ টিম সেখানে কাজ করছে। যাদের কাছেই অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পাওয়া যাচ্ছে, পুলিশ সাথে সাথেই ব্যবস্থা নিচ্ছে। এ পর্যন্ত অনেকজনকে আটক করা হয়েছে। তারা অনিয়ম বিশৃঙ্খলা চেষ্টা করলে পুলিশ তার অবস্থান থেকে সাথে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করছে। আমারসংবাদ

পাঠকের মতামত: