কক্সবাজার, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় প্রাণ গেলো আরো ২১২ জনের

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬২ জন। এর আগে গতকাল (বৃহস্পতিবার) মৃত্যু হয়েছিলো ২৩৯ এবং শনাক্ত হয়েছিলো ১৫ হাজার ২৭১ জন।

এছাড়া দেশে ২৭ জুলাই সর্বোচ্চ ২৫৮ জনের মৃত্যু এবং ২৮ জুলাই রেকর্ড ১৬ হাজর ২৩০ জন রোগী শনাক্ত হয়।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৪৮ হাজার ৫৬৮ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৪৪টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৭ লাখ ৮ হাজার ৯১৪টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জন। এরমধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৪৬৭ জনের।

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৯৭৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ জন।

নতুন পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ০৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৫০৫৯, ময়মনসিংহে ৭০৪, চট্টগ্রামে ৪০২১, রাজশাহীতে ৭৯১, রংপুরে ৯৫৪, খুলনায় ৯৯৩, বরিশালে ৭৩৮, সিলেটে ৮০২ জন রয়েছেন।

এছাড়া মৃত্যু ২১২ জনের মধ্যে ১১৯ জন পুরুষ এবং ৯৩ জন নারী। এরমধ্যে ঢাকা বিভাগের ৬৫, চট্টগ্রামে ৫৩, রাজশাহীতে ১৩, খুলনায় ৩৬, বরিশালে ১১, সিলেটে ১৭, রংপুরে ৯ ও ময়মনসিংহে ৮ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ১৩ হাজার ৮৬৯ জন এবং নারী ৬ হাজার ৫৯৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ৯, ৮১ থেকে ৯০ বছরের ১১, ৭১ থেকে ৮০ বছরের ৩২, ৬১ থেকে ৭০ বছরের ৬৯, ৫১ থেকে ৬০ বছরের ৪৮, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ২৫, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১৫, ২১ থেকে ৩০ বছরের ৫ ও ১১ থেকে ২০ বছরের একজন মারা গেছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

 

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৭৭ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ৬৪ জনের। এছাড়া হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তবে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।

পাঠকের মতামত: