কক্সবাজার, সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১

চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর তীর ও বেড়িবাঁধে ভাঙন, স্থায়ী বেড়িবাঁধের দাবি

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীতে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেড়িবাঁধ ও নদীর তীরের তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে হুমকির মুখে রয়েছে নদীর তীর ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার পরিবারগুলো। স্থানীয় লোকজন এসব ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।

আজ বুধবার সরেজিমন দেখা গেছে, উপজেলার ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নের ঘুনিয়া থেকে পৌরশহরের পশ্চিম দিগরপানখালী পর্যন্ত মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধের অধিকাংশ এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

বিশেষ করে ১ নম্বর বাঁধ এলাকায় বন্যার সময় ভাঙন শুরু হলে স্থানীয় লোকজন বালুর বস্তা দিয়ে কোনো রকম বাঁধ রক্ষা করেন। বন্যার পানি কমে যাওয়ার পর থেকে আবারও সেখানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
একইভাবে পৌরসভার বাটাখালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় মাতামুহুরী নদীর তীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে গত এক সপ্তাহে ৬টি ঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

আরও বিলীন হওয়ার পথে। বাটাখালী ব্রিজের সংযোগ সড়ক ও হুমকির মুখে রয়েছে। পৌরসভার নিজপানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. এহেছানুল হক বলেন, ১ নম্বর বাঁধটি নদীতে তলিয়ে গেছে। এ বাঁধটি আবারও নির্মাণ করলে নিজপানখালী ও কোচপাড়া এলাকা মাতামুহুরীর ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে।

বাটাখালী মাস্টার পাড়ার বাসিন্দা নরুল আলম বলেন, বাটাখালী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকাটি মাতামুহুরী নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। গত এক সপ্তাহে ৬টি বাড়ি বিলীন হয়েছে। একটি মসজিদও বিলীন হওয়ার পথে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আরও বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাবে।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার সকালে নিজপানখালীসহ মাতামুহুরী নদীর বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের চট্টগ্রাম বিভাগীয় চীফ ইঞ্জিনিয়ার অকিল কুমার বিশ্বাস।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, নিজপানখালী এলাকায় একটি টি-বাঁধ দেয়া হবে। অন্যান্য এলাকায় জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলা হবে। এসব কাজ অতি শীঘ্রই শুরু করা হবে।
এ সময় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাফর আলম, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র মো. আলমগীর চৌধুরী, ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত: