কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

টেকনাফে ইয়াবাসহ নৌকা জব্দ; ৬ পাচারকারী আটক

আব্দুস সালাম, টেকনাফ::

কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার খায়ুকখালী খালের মৎস্যঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২৮ হাজার পিস ইয়াবা ও ১টি নৌকাসহ ৬ জন পাচারকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদস্যরা । বুধবার বিকালে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদর দফতরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আমিরুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বুধবার সকালে টেকনাফ পৌরসভার খায়ুকখালী খালের মৎস্যঘাট এলাকায় সাজ্জাদের মালিকানাধীন ফিশারীতে নোঙ্গর করা অবস্থায় একটি মাছ ধরার নৌকায় ইয়াবা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ স্টেশান কমান্ডার লে. এম মিরাজুল হাসানের নেতৃত্বে উক্ত এলাকায় একটি অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালীন সময়ে টেকনাফ পৌরসভার খায়ুকখালী খালের মৎস্যঘাটে একটি নৌকার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নৌকাটি জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে নৌকাটি তল্লাশি করে ২৮ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। এ সময় ইয়াবা পাচারে জড়িত ৬ জন মাঝিমাল্লাকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন (১) মো. আব্দুল্লাহ (২৭), পিতা. ফয়জুর রহমান, (২) মো. ইব্রাহিম (৩০), পিতা. রহিম উল্লাহ, (৩) মো. আলম (২৬), পিতা. জাকারিয়া, (৪) মো. ইয়াছির (৩২), পিতা. আবু বক্কর সিদ্দিক (৫) নুর মোহাম্মদ (২৭), পিতা. শিদা আলী (৬) করিম উল্লাহ (৩৪), পিতা. মতিউর রহমান। আটককৃত ইয়াবা পাচারকারী উভয়ে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্ধা।

আটককৃত ইয়াবা পাচারকারী এবং জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নৌকাটি পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান,বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আওতাভূক্ত এলাকাসমূহে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকেব।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ পৌরসভার খায়ুকখালী খালের মৎস্যঘাট এলাকায় দীর্ঘদিনধরে বেশকয়েকটি ইয়াবা কারবারের সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। বৈধ মৎস্য আহরণের আড়ালে অবৈধ ইয়াবা পাচার করে আসছে এই সিন্ডিকেটগুলো।

গুটিকয়েক মাদক কারবারে জড়িতদের কারনে প্রকৃত মৎস্য ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় দাবি সচেতন মহলের। আটক মাছ ধরার নৌকাটি টেকনাফ পৌরসভার খায়ুকখালী পাড়ার মো. জসিমের ছেলে মো.ইসমাইলের মালিকাধীন। ইসমাইলের মালিকাধীন আরো একটি মাছধরার নৌকা রয়েছে।

পাঠকের মতামত: