কক্সবাজার, মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১

দেশে একদিনে রেকর্ড ১১২ মৃত্যু

করোনাভাইরাসে দেশে একদিনে আরও ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। এর আগে ১৮ এপ্রিল সর্বোচ্চ ১০২ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪২৭১ জন।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ হাজার ২১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ১৫২টি। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫১ লাখ ৯৪ হাজার ২১৯টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭ লাখ ২৩ হাজার ২২১ জন। এদের মধ্যে ১০ হাজার ৪৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৩৬৪ জন। এ পর্যন্ত মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৩০০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১১২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৭১ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৯, রাজশাহীতে ৫, খুলনায় ১০, বরিশালে ১, সিলেটে ৩, রংপুরে ২ এবং ময়মনসিংহে ১ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ৭৫ জন পুরুষ, ৩৭ জন নারী। এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়া ১০ হাজার ৪৯৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৭৬৯ জন এবং নারী ২ হাজার ৭২৮ জন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৬৪ জনেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ২৬, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১২ এবং ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১০ জন রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ

গত ২৪ ঘণ্টায় আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৪ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হয়েছে ৯ জনের। এছাড়াও হাসপাতালটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৩ জন।

প্রসঙ্গত, কোভিড ও নন কোভিড রোগীদের সম্পূর্ণ পৃথক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে আনোয়ার খান মডার্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এমনকি দুটি বিভাগের চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মরত প্রত্যেকের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা চিকিৎসা ছাড়া অন্য সকল চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম আগের মতই চলমান রয়েছে।

পাঠকের মতামত: