কক্সবাজার, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বাবাকে ‘ভালোবাসি’ বলার দিন আজ

শিশু থেকেই মায়ের স্নেহছায়ায় বড় হয় সন্তান। বাবা যেন দূরবর্তী দ্বীপের মতো। যার ভালোবাসা আড়ালেই থেকে যায়। অথচ পরিবারকে আগলে রাখতে সব ঝড়-ঝাপটা একাই সামাল দেন তিনি। সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে ছুটে চলেন দূর দিগন্তে।

নিজেকে পুড়িয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়া মানুষটি হয়তো কখনো দেখাতে পারেননি সন্তানের প্রতি তার ভালোবাসা। তার সান্নিধ্য খুব কমই পায় সন্তানরা। সারা দিন কাজে ব্যস্ত থাকা মানুষটি পরিবারকে সেভাবে সময় দিতে পারেন না। তবে সন্তান যত বড় হয়, বাবার অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে থাকে। চেঁচিয়ে বলার চেষ্টা করে—ভালোবাসি তোমায় বাবা।

আজ নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারেন। কারণ, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আজ। বাবা দিবসে সন্তানদের সামনে সুযোগ আসে বাবাকে ভালোবাসা আর ধন্যবাদ জানানোর।

আজ রোববার (১৮ জুন)। প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্ববাসী বাবা দিবস হিসেবে পালন করে। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক থেকে বাবা দিবস পালনের প্রচলন হয়। পৃথিবীর সব বাবার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা প্রকাশের ইচ্ছা থেকেই যার শুরু। মায়েদের পাশাপাশি বাবারাও যে তাদের সন্তানের প্রতি দায়িত্বশীল, এটা বোঝানোর জন্যই এ দিবসটি পালন করা হয়ে থাকে।

১৯০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ভার্জিনিয়ার মোনোনগাহ্‌য় কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে প্রাণ হারান ৩৬২ পুরুষ। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন সন্তানের বাবা। ফলে প্রায় এক হাজার শিশু পিতৃহারা হয়ে পড়ে। পরের বছর ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই পশ্চিম ভার্জিনিয়ার এক গির্জায় একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। নিহতদের সম্মান জানাতে সন্তানরা মিলে এই প্রার্থনাসভার আয়োজন করে। এটি ছিল বাবাকে সম্মান জানাতে ইতিহাসের প্রথম আয়োজন।

বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক নারীর। ১৯০৯ সালের আগে ওয়াশিংটনে বাবা দিবস বলে কোনো বিশেষ দিন ছিল না। সে সময় স্থানীয় গির্জায় ডড মা দিবস পালনের কথা শোনেন।

পাঠকের মতামত: