কক্সবাজার, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

পশ্চিম ডিগলিয়া রাবার ডেম

উখিয়ায় বোরো উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আভাস

দক্ষিন পুকুরিয়া, গয়ালমারা ও রেজু খালের সংযোগ স্থলে নির্মিত পশ্চিম ডিগলিয়া রাবার ডেম এ ধরে রাখা পানিতে অতিরিক্ত ৫ শতাধিক প্রান্তিক ক্ষুদ্র ও বর্গা চাষী বোরো চাষাবাদের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। এ ছাড়া কুমারির ছড়া, থিমছড়ি ও হরিণ মারা খালের উপর নির্মিত রাবার ডেম উখিয়ার বোরো উৎপাদনের

বৈপ্লবিক পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে বলে কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছেন। পশ্চিম ডিগলিয়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
জানায়, রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর আন্তরিকতা ও অনবদ্য সহযোগীতার কারনে দক্ষিন পুকুরিয়া গয়ালমারা সংযোগ স্থলে রেজু খালের পশ্চিম ডিগলিয়া রাবার ডেমটি নির্মিত হয়।

স্থানীয় কৃষক শফি আলম, আহম্মদ শরীফসহ আরো অনেকে বলেন, রাবার ডেমে ধরে রাখা পানির সাহায্যে অতিরিক্ত ২ হাজার একর জমিতে বোরোর চাষাবাদ সম্ভব। এছাড়াও শাক-সবজিসহ বিভিন্ন তরিতরকারি উৎপাদন হচ্ছে। প্রায় সাড়ে
৫ কোটি টাকা ব্যায় বরাদ্ধে নির্মিত পশ্চিম ডিগলিয়া রাবার ডেমের ঠিকাদার আবুর বাশার রুদ্রা জানায়, এ রাবার ডেমটি সুষ্ঠ ও সুন্দরবাবে পরিচালনা করা হলে কৃষি পন্য উৎপাদনের মাধ্যমে এখানকার হত দরিদ্র কৃষক পরিবারের ব্যাপক আত্ব-
সামাজিক উন্নয়ন হবে।

থিমছড়ি রাবার ডেম পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী বলেন, থিমছড়ি খালের উপর নির্মিত
রাবার ডেমের পানি ব্যবহার করে খালের উভয় পাড়ে বসবাসরত পরিবারগুলো বিভিন্ন কৃষি পন্য উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করছে। পাশাপাশি লক্ষমাত্রার চাইতে দ্বিগুন বোরো উৎপাদন হচ্ছে। যে কারনে রাবার ডেম নির্মানে পর থেকে এলাকায় হত দরিদ্র কৃষকের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। হরিণমারা রাবার ডেম পানি
ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব ইউপি সদস্য নুরুল কবির জানায়, ২০১৮ সালে নির্মিত বিপুল পরিমান অনাবাদি জমি বোরো চাষের আওতায় এসেছে। কৃষি অফিসার আবু মাসুদ সিদ্দিকি বলেন, থিমছড়ি কুমারির ছড়া পশ্চিম ডিগলিয়া ও

হরিমারা খালের উপর নব নির্মিত রাবার ডেম উখিয়ার বোরো চাষাবাদে বৈপ্লবিক
উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে। তাছাড়া রাবার ডেমের পানিতে কৃষি পন্য উৎপাদন করে
আর্থ সামাজিক উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

পাঠকের মতামত: