কক্সবাজার, শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১

উখিয়ায় ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ আহত ৪, ১৭ ভরি স্বর্ণ লুট

বিশেষ প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনার পাড়া এলাকায় প্রকাশ্যে সন্ত্রসী হামলার শিকার হয়ে তাসলিমা ও তার পালক ছেলেসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (০৪ মে) সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকায় সোনাপাড়া এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। তছলিমার অবস্থা আশংখা জনক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তছলিমার পালক ছেলে আইয়ুব আলী বাসা থেকে বের হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরপরই ভাড়াটিয়া ও স্থানীয় সন্ত্রাসী এহেছান পুতিয়ার নেতৃত্বে তছলিমার উপর হামলা চালায়। পরে পালক ছেলে মাকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা আঘাত করে। সন্ত্রাসীরা তছলিমা ও ছেলে আইয়ুব আলীসহ আরও দুইজন কে গুরুতর আহত করে মাটিতে ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তছলিমার পরিবারের সদস্য ও স্থানিয়রা তাদের উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

পরে তারা সংঘটিত হয়ে এহেছান পুতিয়ার(২২) নেতৃত্বে মোঃ কাশেম (৫০), মোঃ হাসেম (৪৭), নুরুল আফছার (৩০), মোঃ রুবেল (৩৫), জুহুরা খাতুন (৫০), রোকসানা (২০), রহিমা খাতুন (৪৮), খতিজা (২৫), আশিকুলাহ (২০) দফায় দফায় হামলা করে।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে তছলিমা (৩৫), আইয়ুব আলী (২৫) ও ছোট ভাই মোঃ হাবিব নুর(১৭), কাজের মেয়ে ফাতেমা (১৫)৷
ঘটনায় তছলিমা নিজে বাদি হয়ে উখিয়া থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ্য করা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকায় তছলিমার বাড়িতে এহেছান পুতিয়া(২২) এর নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এসে তছলিমা ও ছেলে আইয়ুব আলীর মাথায় আঘাত দিয়ে রক্তাক্ত করে। পরে তছলিমার হাতে থাকা ২ টি স্বর্ণের বালা, ২টি আংটি, ১ টি চেইন’সহ মোট ১৭ ভরি স্বর্ণ লুট করে। যার আনুমানিক মূল্য ১১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। ২নং আসামী কাশেম আমার নিকট হতে জোরপূর্বক আলমিরার চাবি নিয়ে কাঠের ড্রয়ার হতে নগদ ১৫ লাখ নিয়ে যায়। ঐ সময় ডাকচিৎকার করলে আমার পালক ছেলের ছোট ভাই হাবিব নুর ও কাজের মেয়ে ফাতিমা এগিয়ে আসলে আসামীরা তাদেরকে লাঠি সোটা ও লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। পরে খুন করার হুমকি দিয়ে চলে যায়।

এব্যাপারে জালিয়াপালং ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল আমিন বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমি ইনানী পুলিশ ফাঁড়িতে অবহিত করি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমার এলাকায় এরকম ঘটনা মোটেও কাম্য নয়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহম্মেদ সঞ্জুর মোরশেদ জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাঠকের মতামত: