কক্সবাজার, রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

মৃত্যু ৮ লাখ ৩৫ হাজার, আক্রান্ত ২ কোটি ৪৬ লাখের বেশি

বিশ্বব্যাপী প্রতিনিয়ত মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। ইতোমধ্যে আট লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৪৬ লাখের বেশি। এ ছাড়া, সুস্থও হয়েছেন এক কোটি ৬১ লাখের বেশি মানুষ।

আজ শনিবার জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টার এ তথ্য জানিয়েছে।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ৪৬ লাখ ৪৯ হাজার ৪৩১ জন এবং মারা গেছেন আট লাখ ৩৫ হাজার ৭৯৩ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ৬১ লাখ ২১ হাজার ২৩৬ জন।

করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯ লাখ ১৩ হাজার ৯১৩ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৭৮৯ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ২১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৭ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে। দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ লাখ চার হাজার ৮০৩ জন, মারা গেছেন এক লাখ ১৯ হাজার ৫০৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৮৩ জন।

মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে তৃতীয়তে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ১৪৬ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার ৭৩৮ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন চার লাখ ৭৯ হাজার ৭৭০ জন।

মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থতে থাকা যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৪১ হাজার ৫৭৩ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ ৩৩ হাজার ৭৯৮ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫৬৯ জন।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ জন, মারা গেছেন ৬১ হাজার ৫২৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ২৫ লাখ ৮৩ হাজার ৯৪৮ জন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পেরু, কলম্বিয়া ও চিলিতেও। রাশিয়ায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন নয় লাখ ৭৭ হাজার ৭৩০ জন, মারা গেছেন ১৬ হাজার ৮৬৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন সাত লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৮ জন। পেরুতে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় লাখ ২১ হাজার ৯৯৭ জন, মারা গেছেন ২৮ হাজার ২৭৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন চার লাখ ২৯ হাজার ৬২২ জন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ছয় লাখ ২০ হাজার ১৩২ জন, মারা গেছেন ১৩ হাজার ৭৪৩ জন এবং সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩৫ জন। কলম্বিয়াতে আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ ৮১ হাজার ৯৯৫ জন, মারা গেছেন ১৮ হাজার ৪৬৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন চার লাখ ১৭ হাজার ৪৮১ জন। চিলিতে আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ পাঁচ হাজার ৯৭২ জন, মারা গেছেন ১১ হাজার ১৩২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ৭৯ হাজার ৪৫২ জন।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ ৬৯ হাজার ৯১১ জন, মারা গেছেন ২১ হাজার ২৪৯ জন এবং সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ১৮ হাজার ২৭০ জন। তুরস্কে আক্রান্ত হয়েছেন দুই লাখ ৬৫ হাজার ৫১৫ জন, মারা গেছেন ছয় হাজার ২৪৫ জন এবং সুস্থ হয়েছেন দুই লাখ ৪১ হাজার ৮০৯ জন।

ইউরোপের দেশ স্পেনে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৩৯ হাজার ২৮৬ জন, মারা গেছেন ২৯ হাজার ১১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার ৩৭৬ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন দুই লাখ ৬৫ হাজার ৪০৯ জন, মারা গেছেন ৩৫ হাজার ৪৭২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন দুই লাখ ছয় হাজার ৯০২ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখ চার হাজার ৯৪৭ জন, মারা গেছেন ৩০ হাজার ৬০১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৯৫ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন দুই লাখ ৪২ হাজার ১২৬ জন, মারা গেছেন নয় হাজার ২৯০ জন এবং সুস্থ হয়েছেন দুই লাখ ১৪ হাজার ১৮৬ জন।

ভাইরাসটির সংক্রমণস্থল চীনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ হাজার ৮৩৬ জন, মারা গেছেন ৪ হাজার ৭১৮ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮৪ হাজার ৪১৯ জন।

উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিন লাখ ছয় হাজার ৭৯৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মারা গেছেন চার হাজার ১৭৪ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৯৬ হাজার ৮৩৬ জন।

পাঠকের মতামত: